| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আগুনের কারণে কার্গো অপারেশন এক দিনের জন্যও বন্ধ রাখা হয়নি: বেবিচক

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২১, ২০২৫ ইং | ১২:২৩:৫০:অপরাহ্ন  |  ১৩৯০৩৯২ বার পঠিত
আগুনের কারণে কার্গো অপারেশন এক   দিনের জন্যও বন্ধ রাখা হয়নি: বেবিচক
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

সিনিয়র রিপোর্টার:  বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেছেন, ধারণা করা হচ্ছে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে আমদানি কুরিয়ার সার্ভিস থেকে । বিষয়টি তদন্তাধীন। অনেকগুলো তদন্ত কমিটি হয়েছে। উনারা আসল ঘটনা বের করবেন। আগুনটা খুব ভয়াবহ ছিলো। তবে কোনো প্রাণহারি ঘটনা ঘটেনি। 

 মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরায় বেবিচক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আগুনের কারণে বিমানবন্দরের কার্গো অপারেশন এক দিনের জন্যও বন্ধ রাখা হয়নি। ৯ নম্বর গেট দিয়ে কার্যক্রম চালু আছে।

মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) প্রোটোকল মেনেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। বিমানবন্দরে সপ্তাহে এক দিন ফায়ার ড্রিল (অগ্নিনির্বাপণ মহড়া) করা হয়। এমনকি আগুন লাগার পরও আইসিএওর সব নিয়ম মেনে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, রানওয়ের অ্যাপ্রনে পণ্যসামগ্রী স্তূপ করে রাখা হয়েছিল। এর কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশে সমস্যা হয়। এর দায় বিমান, ঢাকা কাস্টম হাউস ও সিঅ্যান্ডএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং) এজেন্টদের। নিয়ম অনুযায়ী ২১ দিনের মধ্যে পণ্য অপসারণের কথা। কিন্তু সেখানে বছর ধরে পণ্য পড়ে থাকে। তবে তিনি তদন্তের স্বার্থে কোনো সংস্থার ওপর দায় দিতে চান না।


ফায়ার সার্ভিসের গাড়িকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এমন অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, এটা সত্য নয়। তিনি বিষয়টি নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। ফায়ার সার্ভিস এমন কোনো অভিযোগ করেনি। তবে যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 বেবিচকের চেয়ারম্যান বলেন, কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সটি বেবিচকের তবে ভেতরের কার্যক্রম পরিচালনা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ঢাকা কাস্টম হাউস ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, আর্থিক বিষয়ে সমঝোতা না হওয়ায় বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে নতুন কার্গো ভবন বুঝে নেওয়া যাচ্ছে না। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান যে টাকা দাবি করছে, তার সঙ্গে তাদের প্রায় হাজার কোটি টাকার একটি ব্যবধান রয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪