রিপোর্টার্স ২৪ডেস্ক: শহীদ পরিবারগুলো যে প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছে না, বঞ্চনার শিকার হচ্ছে এ সংবাদ তাদের জানা ছিল না বলে দাবি করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা। জাতীয় সংসদের এলডি হলে জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে বৈঠকে এমন বিস্ময় প্রকাশ করেন তারা।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত বৈঠকে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা কমিশনকে জানান যে, যেসব আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তাদের সন্তানরা জীবন উৎসর্গ করেছে, তা আজও পূরণ হয়নি। বরং বিভিন্ন দপ্তরে তারা নানাভাবে লাঞ্ছনা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন।
বৈঠকে কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজসহ সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ পরিবারবর্গ তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন ,জুলাই জাতীয় সনদের একটি আইনি ভিত্তি থাকা প্রয়োজন।
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা অবগত যে জুলাই ফাউন্ডেশন এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তবে শহীদ পরিবারগুলো যে প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছে না এবং বঞ্চনার শিকার হচ্ছে— তা তাদের জানা ছিল না। কমিশন তাদের আশ্বস্ত করে এ সব বিষয় যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। শহীদ পরিবারবর্গ যখনই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন, কমিশন এ ব্যাপারে তাদের সহযোগিতা করবে।
বৈঠকে জুলাই শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের হয়ে উপস্থিত ছিলেন— আলহাজ শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া (শহীদ ফারহান ফাইয়াজের পিতা), মীর মোস্তাফিজুর রহমান (শহীদ মুগ্ধ’র পিতা), মো. মহিউদ্দীন (শহীদ ইয়ামিনের পিতা), কবির হোসেন (শহীদ জাবির ইব্রাহিমের পিতা), মোহাম্মদ আবদুল মতিন (শহীদ শাহরিয়ারের পিতা), মো. গোলাম রাজ্জাক (শহীদ রিয়ানের পিতা), গাউছ উল্লাহ (শহীদ আব্দুল্লাহ’র ভাই), সাইফ আহমেদ খান (শহীদ আব্দুল হান্নানের ছেলে), মো. ওবায়দুল হক, সৈয়দ গাজীউর রহমান (শহীদ মোন্তাসিরের পিতা)।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি