| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বন্দর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনশন কর্মসূচি

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ০১, ২০২৫ ইং | ১২:৪৪:৩০:অপরাহ্ন  |  ১৩০০৯৩৭ বার পঠিত
বন্দর ইজারা দেওয়ার  সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনশন কর্মসূচি
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

রিপোর্টার্স ২৪ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে ইজারার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) অনশন কর্মসূচি পালন করছে ।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনের নেতা-সমর্থকরা অনশন কর্মসূচি শুরু করেন । সড়কের পাশে ফুটপাতের ওপর মঞ্চ তৈরি করে শত শত শ্রমিক প্রতিবাদে যুক্ত হন।

গণমুক্তি ইউনিয়ন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিঞা বলেন, লাভজনক হওয়া সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানির ব্যবসায়িক স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নিউমুরিং টার্মিনাল ও লালদিয়ার চর বিদেশিদের হাতে ইজারার নামে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তবে সফল হতে পারবে না। এ চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্ন্তবতী সরকার বন্দর এলাকায় একমাসের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিনা টেন্ডারে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিউমুরিং টার্মিনাল তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পন্ন করেছিল। গণঅভ্যুত্থানের পরও বর্তমান সরকার কেন আওয়ামী লীগের এ চক্রান্ত বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, তার জবাব সরকারকে দিতে হবে।

অনশনে শ্রমিক নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষায় চট্টগ্রামের নাগরিক, শ্রমিক, পেশাজীবী, ছাত্ররা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি দিয়ে দেশবিরোধী এ তৎপরতা প্রতিহত করা হবে। বন্দরের মাশুল বাড়ানোর বিষয়টিকে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি করছেন তারা। 

শ্রমিক নেতারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দর বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার ওপর লাভে আছে। তারপরও বিদেশি কোম্পানির হাতে বন্দর তুলে দেওয়ার আগে তাদের মুনাফা নিশ্চিতের জন্য সরকার বন্দরের ট্যারিফ ৪১% বাড়িয়েছে। অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার ও ন্যায্যতা নেই। 

শ্রমিক নেতারা বলেন, এ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। তারপরও বিদেশিদের স্বার্থে সরকার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে একাধিক বন্দর নেই, দেশের সিংহভাগ আমদানি রপ্তানি যে বন্দর দিয়ে হয়, সে বন্দর বিদেশি কোম্পানিকে কেউ তুলে দেয় না। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থানগত কারণে এরসঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব-নিরাপত্তার কৌশলগত প্রশ্নও যুক্ত।

কর্মসূচিতে গণমুক্তি ইউনিয়ন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিঞা, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি খোরশেদ আলম, স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক রিজওয়ানুর রহমান, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শফি উদ্দিন কবির আবিদ, বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সেক্রেটারি ইব্রাহিম খাকন, ডক শ্রমিক দলের সেক্রেটারি আখতারউদ্দিন সেলিমসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪