| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জুয়া খেলায় হেরে পার্টনারকে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ১১, ২০২৫ ইং | ০৬:১০:২৯:পূর্বাহ্ন  |  ১৯৯৪৯৯২ বার পঠিত
জুয়া খেলায় হেরে পার্টনারকে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন

চাঁদপুর প্রতিনিধি : চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোড খান সড়ক এলাকায় জুয়া খেলায় হেরে পার্টনার রেহান উদ্দিন মিজি (৫৫) নামে ব্যাক্তিকে হত্যার দায়ে মো. খোরশেদ আলম (২৭) নামে যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় দেন।

হত্যার শিকার রেহান উদ্দিন মিজি শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার দক্ষিণ তারাবুনিয়ার বাসিন্দা। পরিবার নিয়ে চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোড খান সড়কের তামান্না শারমীন ভিলার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। তিনি পেশায় ছিলেন ড্রেজার ব্যবসায়ী।

কারাদণ্ড প্রাপ্ত খোরশেদ আলম পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ১নম্বর কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের শেফালী পাড়া জোর ভূঁইয়া বাড়ির মৃত মোস্তফা ভূঁইয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, হত্যার শিকার রেহান উদ্দিন মিজির সাথে আসামি খোরশেদ আলমের পরিচয় হয় জুয়া খেলার মাধ্যমেই।  তারা কয়েকজন মিলে জুয়া খেলতেন। ঘটনার আগে খোরশেদ বেশ কয়েকবার রেহানের কাছে জুয়া খেলায় হেরে যায়। সেই ক্ষোভ থেকেই ২০২১ সালের ২৩ জুন দুপুরে রেহান উদ্দিনের বাসায় জুয়া খেলতে আসলে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে খোরশেদ। 

ঘটনার দিন পারিবারিক কাজে রেহান উদ্দিনের স্ত্রী পারভীন বেগম সখিপুর নিজ এলাকায় ছিলেন। দুপুরে তাকে ফোনে না পেয়ে পাশের বাসায় থাকা আরেক ভাড়াটিয়া মরিয়ম বেগমকে দেখার জন্য বলেন রেহানের স্ত্রী। মরিয়ম বেগম খোঁজ নিতে গিয়ে রেহান উদ্দিনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখেন। পরে পুলিশ এসে রেহান উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

এদিকে এই ঘটনায় সে বছর ২৫ জুন চাঁদপুর সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন হত্যার শিকার রেহান উদ্দিনের স্ত্রী পারভীন বেগম। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করে এবং ১ জুলাই তাকে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক এনামুল হক চৌধুরী মামলাটি তদন্ত শেষে ওই বছর ১০ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কোহিনুর বেগম বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। সাক্ষ্য প্রমাণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামি নিজে অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪