রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছে এবং বাজারের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে, যখন শিক্ষার্থী মোবাইল মেরামতের জন্য আমবটতলা বাজারের এক দোকানে যান এবং মোবাইল থেকে সিমকার্ড খুলতে গিয়ে হাত কেটে যায়। দোকানি প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীকে ধরেন এবং অশ্লীল মন্তব্য করেন। বিষয়টি শিক্ষার্থী জানালে তাদের সহপাঠীরা দোকানিকে জিজ্ঞাসা করতে গেলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এরপর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের সময় মোটরসাইকেল পোড়ানো হয় এবং অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রক্টোরিয়াল বডি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেরিতে পৌঁছায়। শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে চৌগাছা-যশোর সড়ক অবরোধ করে এবং উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে কিছু সময় অবরুদ্ধ রাখে। পরে উপাচার্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
অভিযুক্ত দোকান মালিক মুনায়েম হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ক্যাম্পাসে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে, তবে পুলিশ টহল অব্যাহত রেখেছে। ঘটনা শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন