| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ডিসেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে রাত কাটাতে পারবেন পর্যটকরা

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ৩০, ২০২৫ ইং | ০৬:৫৪:৪৩:পূর্বাহ্ন  |  ১১৭৫৯৭৮ বার পঠিত
ডিসেম্বর থেকে  সেন্টমার্টিনে রাত কাটাতে পারবেন পর্যটকরা

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : আগামী সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিন দ্বীপের উদ্দেশে চলাচল শুরু করবে। সরকারি ১২টি নির্দেশনা অনুসরণ করে পরবর্তী দুই মাস (৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত) পর্যটকেরা দ্বীপে রাত কাটানোর সুযোগ পাবেন।

যদিও গত ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য খোলা ছিল, রাত্রিযাপনের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় জাহাজ চালু হয়নি। কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চারটি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করবে। প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার পর্যটক এসব জাহাজে করে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে দ্বীপে পৌঁছাবেন।

পর্যটকদের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের অনুমোদিত ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে। টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকতে হবে; কিউআর কোড ছাড়া টিকিট অবৈধ গণ্য হবে। প্রথম দিনে তিনটি জাহাজের প্রায় ১২০০ টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, প্রথম যাত্রার জন্য জাহাজগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত। পর্যটকদের ভ্রমণ সুন্দর ও নিরাপদ করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী মৌসুমে অন্তত চার মাস রাত্রিযাপনের সুযোগ থাকলে পর্যটন শিল্প আরও লাভবান হবে।

দীর্ঘ সময়ের পর পর্যটকের আগমনের খবরে দ্বীপবাসীর মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে। সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, পর্যটন ব্যবসা দ্বীপবাসীর বেঁচে থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। সংকট থাকলেও তারা পর্যটকদের আতিথেয়তায় কোনও কমতি রাখবেন না।

দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি ১২টি নির্দেশনা জেলা প্রশাসন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে। প্রশাসন জানিয়েছে, ভ্রমণের সময়সূচি ও পর্যটক সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি, বারবিকিউ পার্টি, কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ-বিক্রি, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুকসহ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হতে পারে এমন কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইক বা অন্যান্য মোটরচালিত যানবাহন চলাচল, পলিথিন ব্যবহার এবং একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক (চিপসের প্যাকেট, স্ট্র, ছোট বোতল ইত্যাদি) নিষিদ্ধ। পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, সেন্টমার্টিন আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। পর্যটকসহ সংশ্লিষ্টরা সরকারি নির্দেশনা মেনে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের সহযোগিতা করবেন বলে আশা রাখছি।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪