| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শেরপুরে লাল বালু উত্তোলন,কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫ ইং | ১২:১৬:৩৭:অপরাহ্ন  |  ১১৫১৩৫৬ বার পঠিত
শেরপুরে লাল বালু উত্তোলন,কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের বিভিন্ন পাহাড়ি নদী ও ঝোড়া থেকে মূল্যবান লাল বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় বালু খেকো। দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে পাচার করছে প্রভাবশালী কথিত রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা বালু খেকো সিন্ডিকেট। 

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে অনেককে জেল জরিমানার আওতায় আনা হয়েছে। তবে কোন ভাবেই থামছে না অবৈধ লাল বালু উত্তোলন। উত্তোলনকৃত এসব বালুর মধ্যে মূল্যবান খনিজ বালুও রয়েছে। ফলে সরকার হারাচ্ছে মূল্যবান সম্পদ ও রাজস্ব। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের গজনী বিট এলাকার বাকাকুড়া, গজনী, গান্ধীগাও, জিয়া খাল, সন্ধ্যাকুড়া, বালিঝুড়ী সংলগ্ন তাওয়াকুচার সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট সহ বিভিন্ন ছোট নদী ও খাল থেকে প্রতিদিনই বিভিন্ন  ভাবে বালু উত্তোলন করে রাতে ও ভোরে উত্তোলিত বালু মাহিন্দ্রা ট্রাক, ট্রলি, ভ্যান, ও অটোরিকশা যোগে ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন গ্রামীন সড়ক হয়ে পাচার হয়।এরপর শেরপুর শহর ও শহরের আশেপাশে বাজিতখিলা, তাতালপুর, কালিগঞ্জ সহ বিভিন্ন সেলস পয়েন্ট স্থাপন করে প্রশাসনের নাকের ডগায় বালু বিক্রি করছে। 

এর আগে জেলা প্রশাসন প্রজ্ঞাপন জারি করে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় বালু উত্তোলন ও পরিবহন নিষিদ্ধ করে। তবে এখনও বিভিন্ন সেলস পয়েন্ট স্থাপন করে প্রকাশ্যে লাল বালু বিক্রি করায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। 

বালু পরিবহন কাজে নিয়োজিত মাহিন্দ্রা চালক জানান, প্রতি মাহিন্দ্রা বালু ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা, ট্রলি সাড়ে ৭ হাজার টাকা এবং অটোভ্যান ২৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। আরেক চালক পরিচয় প্রকাশ না করে বলেন, পুলিশ প্রশাসন ও ফরেস্ট অফিস কে ম্যানেজ করেই চলছে অবৈধ বালু ব্যবসা। এছাড়া ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া এলাকার সাইফুল সহ প্রভাব শালীরাও এতে জড়িত বলে জানান তিনি। 

ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন বলেন, আমাদের টহল টিম সব সময় রাস্তায় টহল দেয়। আবার অনেক সময় আসামী ধরার কাজে ফোর্স চলে গেলে এ সুযোগে হয়তো কেউ বালু পাচার করতে পারে। তবে পুলিশ বালু পাচারে জড়িত নন বলে জানান তিনি। 

রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো : আ: করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সাইফুলের একটি বালু বহনকারী মাহিন্দ্রা ট্রাক বালু সহ আমার কাছে আটক আছে। আমার এরিয়া থেকে কোন বালু উত্তোলন হয় না। এখন পাহাড় থেকে নয় বরং পাহাড়ি ঝোড়া থেকে এই বালু গুলো উত্তোলন করা হচ্ছে। 

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলম এর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমরা বালু পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি অনেককে আটক করে শাস্তির আওতায় এনেছি। আজকেও আমরা এসিল্যান্ড এর মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে দুটি গাড়ি আটক করিয়েছি। এধরণের কাজে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব। 

রিপোর্টার্স২৪/মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪