| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জামালপুরে কোটি টাকার ভবনে নেই কোন শিক্ষার্থী

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫ ইং | ১৫:৩২:০৪:অপরাহ্ন  |  ১১৪৮৯৪০ বার পঠিত
জামালপুরে কোটি টাকার ভবনে নেই কোন শিক্ষার্থী

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি)। 

২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া এলাকায় স্থাপিত শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি নাম পরিবর্তন করে জামালপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি হিসাবে নামকরণ করা হয়। 

২০১৬ সালে নির্মাণ হলেও দীর্ঘ ১০ বছরেও প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োগ দেওয়া হয়নি কোন শিক্ষক-কর্মচারী। চলতি শিক্ষাবর্ষে বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষার্থী ভর্তিও। অধ্যক্ষসহ তিনজন শিক্ষক এবং ১২ জন অতিথি শিক্ষক দিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলছে বৃহৎ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম। যারা চিকিৎসা শিক্ষা ক্ষেত্রে একেবারেই অনভিজ্ঞ ও অযোগ্য বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। যে কারণে শিক্ষার মান উন্নয়ন হয়নি এই প্রতিষ্ঠানের।

চলতি ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে জামালপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিসহ এমন আটটি প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি নিষেধ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর । 

ফলে জামালপুর ইনস্টিটিউট টেকনোলজি বিশাল ক্যাম্পাস, দৃষ্টিনন্দন একাডেমিক ভবন,ছাত্রাবাস, শিক্ষক এবং অধ্যক্ষের নিবাসসহ কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইমারত গুলি পড়ে রয়েছে ফাঁকা। 

স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, ইনস্টিটিউটের জন্য কোটি  টাকা ব্যয়ে বিল্ডিং নির্মাণের নামে দুর্নীতি করে টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। 

ফাইজুল্লাহ নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, এটি প্রতিষ্ঠার সময় মনে করেছিলাম, শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া ইসলামপুর উপজেলা শিক্ষার ক্ষেত্রে হয়তো এবার এগিয়ে যাবে, কিন্তু আমাদের আশায় গুড়েবালি।

জামালপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিন অধ্যক্ষ ডা. মো. মজিবুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর জামালপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিসহ ৮টি স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি না করতে নির্দেশ দিয়েছে। তাই চলতি শিক্ষা বছর জামালপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়নি। 

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমিনের (চিকিৎসা শিক্ষা) সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ১০ মিনিট পর কথা বলবেন বলে জানান। ১০ মিনিট পর ফোন করলে ৫ মিনিট পর তিনি নিজেই ফোন করবেন বলে জানান। পরে একাধিক বার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি চিকিৎসা শিক্ষা বিভাগের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪