রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: কারসাজির মাধ্যমে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এতে কৃষক ও ভোক্তা দুই পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে কৃষি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উপদেষ্টা বলেন, বাজারে যথেষ্ট পেঁয়াজ থাকা সত্ত্বেও অসাধু একটি চক্র ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, হঠাৎ দাম বাড়ার পেছনে একটি চক্র সক্রিয়। এই চক্রকে খুঁজে বের করতে হবে। বাজারে পেঁয়াজ রয়েছে, কিন্তু কারসাজির মাধ্যমে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার আজ (রোববার) থেকে সীমিত আকারে আমদানি শুরুর অনুমতি দিয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিদিন ৫০টি আমদানি অনুমতি (আইপি) ইস্যু করা হবে, এবং প্রতিটি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে।
আমদানির সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা ও দাম সহনীয় রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পেঁয়াজের দাম ৭০ টাকার মধ্যে থাকলে তা সবার জন্যই ভালো। বাজারে কারসাজি থাকলে কৃষি কর্মকর্তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবসায়ীদের অনিয়ম দেখবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলিতে লটারির যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে, প্রয়োজনে কৃষি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান কৃষি উপদেষ্টা।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সবজির দাম বর্তমানে সহনীয় রয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে আরও কমতে পারে। তবে দাম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষকদের যেন ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি