| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শিশু সাজিদকে ২৮ ঘন্টা পরও উদ্ধার করা যায়নি

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫ ইং | ০৯:১৮:৪৫:পূর্বাহ্ন  |  ১১২৬৪৫৮ বার পঠিত
শিশু সাজিদকে ২৮ ঘন্টা পরও উদ্ধার করা যায়নি
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক:  ২৮ ঘন্টা চেষ্টার পরেও  রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত নলকূপের সরু গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধারের চেষ্টা এখনও চলছে। টানা অভিযানে ৪২ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।  বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, উদ্ধার তৎপরতায় ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, উদ্ধার তৎপরতায় ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট কাজ করছে।

তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত আমরা ৪০ থেকে ৪২ ফুট পর্যন্ত খুঁড়েছি, কিন্তু এখনও শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সঠিক অবস্থান এখনো শনাক্ত করা যাচ্ছে না। শিশুটিকে না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।”

তিনি আরও জানান, তারা আরও অন্তত ১০ ফুট গভীর পর্যন্ত খননের পরিকল্পনা করেছেন, এরপর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হবে।

এর আগে বুধবার রাতে তানোর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তিনটি ইউনিট সেখানে কাজ করছে। গর্তের পাশে সমান্তরাল আরেকটি পথ খননে একটি এক্সক্যাভেটর কাজ করছে, পাশাপাশি দুটি ট্র্যাক্টর মাটি সরাচ্ছে। শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে গর্তে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাটি বোঝাই একটি ট্রলি হঠাৎ নিচে দেবে গেলে ঘটনাটি দেখতে রুনা খাতুন তার ছেলে সাজিদকে নিয়ে মাঠে যান। হাঁটার একপর্যায়ে সাজিদ হঠাৎ ‘মা’ বলে চিৎকার করলে রুনা খাতুন পেছনে ফিরেই বুঝতে পারেন, শিশু গর্তে পড়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর নিচ থেকে微 ‘মা, মা’ ডাকও তিনি শুনতে পান।

রুনা খাতুন বলেন, গর্তটির মুখ খড় দিয়ে ঢাকা ছিল, তাই কেউ বুঝতে পারেননি যে নিচে ফাঁকা গর্ত রয়েছে।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান জানান, দুপুর ১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস স্থানীয়দের সহযোগিতায় খনন কাজ শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কোয়েলহাট গ্রামে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। এক বাসিন্দা পানির স্তর পরীক্ষা করতে আগে এই গর্ত করেছিলেন এবং পরে সেটি ভরাট করেন। তবে বৃষ্টিতে মাটি বসে গেলে পুরনো গর্তটি আবার উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪