নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আহমেদুর রহমান তনু অভিযোগ করেছেন, তফসিল ঘোষণার আগের ১০–১৫ দিন ধরে কয়েকটি দলের কর্মীরা তাদের পোস্টারের ওপর অন্য পোস্টার সেঁটে দিচ্ছে, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন—প্রশাসন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে যথাযথ তদারকি করবে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর বন্দরের কদমরসূল এলাকা ও শহরের মাসদাইরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি লিফলেট বিতরণ করেন এবং জনগণের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পরদিন শহরের মাসদাইর ও নবীগঞ্জ কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও দোয়া প্রার্থনা করেছেন। নমিনেশন পাওয়ার পর তার দিনের প্রধান কর্মসূচি ছিল দোয়া চাওয়া।
তিনি বলেন, “আমার বাবা-মাসহ নারায়ণগঞ্জের যেসব মুরব্বিরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখে গেছেন, তাদের সবার কবর জিয়ারত করেছি। অন্য ধর্মের মানুষদের কাছ থেকেও দোয়া চেয়েছি। নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”
ধর্মীয় উপাসনালয়ে নির্বাচন–সংক্রান্ত কোনো প্রচারণা না চালানোর অনুরোধ জানান তনু।
এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী ওসমান হাদির ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি দ্রুত বিচারের দাবি করেন। তিনি বলেন, “ওসমান হাদি একজন নয়, ঘরে ঘরে ওসমান হাদি আছে।” প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন—এ ধরনের ঘটনা যেন নির্বাচনী পরিবেশকে বিঘ্নিত না করে।
জনসংযোগে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির সদস্য ফারদিন শেখ, নাঈম উদ্দিন সানি, এনসিপি বন্দর উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী আশিকুর রহমান অভি, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক রিফাত হোসেন অন্তু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সদস্য সচিব হৃদয় ভূঁইয়া, সাবেক নেতৃবৃন্দ আবির চৌধুরী, মাহবুব আলম, মো. স্বাধীন, মুশফিকুর রহমান সামি, ইয়াসিন আরাফাত, ফাহাদ আল পরশ।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন