| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তারা মধ্যযুগীয় কায়দায় পুড়িয়ে মারতে চেয়েছে: নূরুল কবীর

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫ ইং | ১৪:২৩:০৩:অপরাহ্ন  |  ৩২৯৩৩২ বার পঠিত
তারা মধ্যযুগীয় কায়দায় পুড়িয়ে মারতে চেয়েছে: নূরুল কবীর
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলাকে ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতা’ আখ্যা দিয়ে এ ধরনের ঘটনা পুরো সমাজ ও গণতন্ত্রের জন্য ভয়ংকর সংকেত বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।

সংবাদপত্র সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, এ ধরনের হামলা শুধু সংবাদমাধ্যম নয়, পুরো সমাজ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ভয়ংকর বার্তা বহন করে।

সোমবার(২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। দেশে চলমান ‘মব ভায়োলেন্স’-এর প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ ও নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।

সূচনা বক্তব্যে নূরুল কবীর বলেন, তারা মধ্যযুগীয় কায়দায় পুড়িয়ে মারতে চেয়েছে। অফিসে সবাই কাজ করার সময় চারপাশ থেকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি দমকল বাহিনী যেন ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারে, সে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল। যাদের সঙ্গে মতভেদ আছে, তাদের আগুনে পুড়িয়ে মারাই ছিল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর কোনো সমাজ যদি এ ধরনের ঘটনা সহ্য করে এবং এর বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে না দাঁড়ায়, তাহলে শুধু কিছু সংগঠন নয় পুরো সমাজব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে যাবে। সমাজের উন্নতির সব সম্ভাবনাই রুদ্ধ হয়ে পড়বে।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আমরা সংগ্রাম করেছি একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য। আজ যে বাংলাদেশ আমরা দেখছি, সেই স্বপ্ন আমি কোনো দিন কল্পনাও করিনি। আঘাত এসেছে শুধু প্রথম আলো বা ডেইলি স্টারের ওপর নয়, আঘাত এসেছে গণতন্ত্রের ওপর।’

তিনি আরও বলেন,স্বাধীনভাবে চিন্তা করার অধিকার ও কথা বলার অধিকার আবারও আক্রান্ত হয়েছে। জুলাই যুদ্ধ ছিল এ দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। আজ সেই জায়গাতেই আঘাত এসেছে। এখন কোনো নির্দিষ্ট দল বা সংগঠনের প্রশ্ন নয় সব গণতান্ত্রিক চিন্তার মানুষকে এক হওয়ার সময় এসেছে।

সভাটি সঞ্চালনা করেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। এতে আরও বক্তব্য দেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, মানবাধিকারকর্মী রেহনুমা আহমেদ, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪