কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৫ বছর পর উৎসবমুখর পরিবেশে বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। রোববার কোটচাঁদপুর সরকারি পাইলট বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৫১১ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার ৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫১১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪০৩ জন এবং মাদ্রাসা থেকে ১০৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে রোববার সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়। দীর্ঘদিন পর আবারও বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আনন্দিত।
তালিনা টি.আই.সি. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র আলিপ হোসেন বলেন, আমাদের বিদ্যালয় থেকে ১২ জন বৃত্তি পরীক্ষা দিচ্ছে। পরীক্ষা ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া বৃত্তি পাওয়ার ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করেন। কাগমারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র রোদেলে ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পর আবার পরীক্ষা শুরু হওয়ায় বেশ ভালো লাগছে। পরীক্ষাও ভালো হয়েছে বলে জানান ওই শিক্ষার্থী।
অভিভাবকরা বলেন, বৃত্তি পাওয়াই বড় কথা নয়, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। এতে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটে। কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর আবার পরীক্ষা চালু হওয়ায় তারাও আনন্দিত।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অশোক কুমার বলেন, ২০১৫ সালে বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও পরীক্ষাটি চালু হলো। এ উপজেলায় ৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৩৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করে। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪২৪ জন এবং মাদ্রাসার ১১৩ জন। এদের মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে রোববার সকাল ১০টায় কোটচাঁদপুর সরকারি পাইলট বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হয় এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই দুপুর ১টায় পরীক্ষা শেষ হয়।
তিনি জানান, বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র এবং মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের কুরআন মাজিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন