| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কনকনে শীত ও কুয়াশায় স্থবির কিশোরগঞ্জ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিকলীতে

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫ ইং | ১৫:১১:৫৯:অপরাহ্ন  |  135002 বার পঠিত
কনকনে শীত ও কুয়াশায় স্থবির কিশোরগঞ্জ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিকলীতে
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জে কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। তার সঙ্গে কনকনে শীতের হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় জেলার জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট ফাঁকা, হাটবাজারে মানুষের উপস্থিতি কমে গেছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ও দিনমজুররা। এর মধ্যেই টানা তিন দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় নিকলীতে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

নিকলী প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহেদুল ইসলাম মাসুম এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত বছর শীত মৌসুমে দুই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিকলীতে রেকর্ড হয়েছিল। তবে চলতি শীত মৌসুমে তা টানা তিন দিনে পৌঁছেছে, যা ব্যতিক্রমী ঘটনা।

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। হাটবাজারে মানুষের আনাগোনা কমে গেছে, দোকানপাট দেরিতে খুলছে। রিকশা-ভ্যানসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচলও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছেন কৃষকেরা। নিকলী হাওর এলাকার কৃষক কালীপদ সাহা জানান, তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে। বোরো ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এদিকে শীতের কারণে অনেক দিনমজুর কাজে বের হতে পারছেন না। ফলে তাদের জীবনযাত্রা আরও কষ্টকর হয়ে উঠছে। পাশাপাশি শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে হাসপাতালে।

জেলা শহরের প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কর্মকর্তা মিঠুন চক্রবর্তী জানান, গত কয়েক দিনে ব্যথাজনিত রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে সেবা কার্যক্রমে চাপ বাড়তে পারে বলেও তিনি জানান।

সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা বলেন, অতিরিক্ত শীতের কারণে হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিশেষভাবে সুরক্ষায় রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, শীতের এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪