এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক: ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের কন্যা ও উদ্যোক্তা সারা টেন্ডুলকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ট্রোলিংয়ের শিকার হয়েছেন। গোয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে রাস্তায় হাঁটার একটি ভিডিও ঘিরে এই বিতর্ক শুরু হয়। ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছেন, এটি ইংরেজি নববর্ষের কাছাকাছি সময়ে তোলা।
ভিডিওতে সারাকে বন্ধুদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে দেখা যায়। এ সময় তার হাতে একটি বোতল থাকায় কিছু ব্যবহারকারী সেটিকে বিয়ার বোতল বলে মন্তব্য করে কটূক্তি করেন। কয়েকজন মন্তব্যে শচীন টেন্ডুলকারের নাম টেনে এনে বিষয়টিকে অযথা বিতর্কিত করার চেষ্টা করেন।
তবে ট্রোলিংয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি বড় অংশ সারার পাশে দাঁড়িয়েছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, এটা কেমন মানসিকতা? সারা বিয়ার খেলে সেটি কীভাবে শচীন টেন্ডুলকারের মদ প্রচারের সঙ্গে যুক্ত হয়? একজন মেয়ের কি পানীয় গ্রহণের স্বাধীনতা নেই? আরেকজন মন্তব্য করেন, এখানে ট্রোল করার মতো কিছুই নেই।
এর আগে গত আগস্টে সারা টেন্ডুলকার জানিয়েছিলেন, কেন তিনি ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে বেছে নেননি। তার ভাই অর্জুন টেন্ডুলকার ঘরোয়া ক্রিকেটে গোয়ার হয়ে অলরাউন্ডার হিসেবে খেলছেন। ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ২৭ বছর বয়সী সারা বলেন, বাবার অসংখ্য স্মরণীয় ইনিংস তার প্রিয় হলেও তিনি কখনো ক্রিকেটার হওয়ার কথা ভাবেননি। তিনি বলেন, কখনোই না। এটা বরাবরই আমার ভাইয়ের ক্ষেত্র। আমি গলি ক্রিকেট খেলেছি, কিন্তু পেশাদারভাবে কখনো ভাবিনি।
পেশাগত জীবনে সারা টেন্ডুলকার সম্প্রতি ভারতের ওয়েলনেস খাতে নতুন যাত্রা শুরু করেছেন। তিনি মুম্বাইয়ের অন্ধেরিতে ‘পিলাটিস অ্যাকাডেমি এক্স সারা টেন্ডুলকার’ চালু করেছেন। ২১ আগস্ট ২০২৫ সালে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া এই স্টুডিওটি দুবাইভিত্তিক জনপ্রিয় পিলাটিস অ্যাকাডেমি ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ শাখা।
এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সারা বলেন, পিলাটিস আমার ফিটনেস যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ও পাবলিক হেলথে আমার পড়াশোনার কারণে আমি সুস্থতাকে শুধু ব্যায়াম বা ডায়েটের মধ্যে সীমাবদ্ধ দেখি না। সুস্থতা মানে ভারসাম্য—যার মাধ্যমে নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি জীবনের ছোট ছোট আনন্দও উপভোগ করা যায়।