আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ভেনেজুয়েলা চালাবে ওয়াশিংটন’ এমন বক্তব্যের অর্থ কী, তা স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অভিযানের বৈধতা ও এর সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক পরিণতি নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই ব্রিটেনের পক্ষ থেকে এই মন্তব্য এলো।
স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ ট্রেজারির চিফ সেক্রেটারি ড্যারেন জোন্সকে প্রশ্ন করা হয়, ট্রাম্পের এই বক্তব্য উপনিবেশবাদের ইঙ্গিত কি না। জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য কোনোভাবেই উপনিবেশবাদ সমর্থন করে না।
তবে ড্যারেন জোন্স স্পষ্ট করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, সে বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার এখনো নিশ্চিত নয়। তাঁর ভাষায়, “এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলারই ব্যাখ্যা দেওয়ার বিষয়—পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।”
তিনি আরও বলেন, কোনো তৃতীয় দেশের পক্ষে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ সরকার নির্ধারণ করা সমীচীন নয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে কি না—এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান জোন্স। তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়।
এর আগে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, এক ‘দুঃসাহসিক অভিযানে’ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে নিউইয়র্কে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগে বিচার চলবে বলেও জানান তিনি।
ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “যতদিন না নিরাপদ, সঠিক ও বিচক্ষণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা যায়, ততদিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা যেন এমন কোনো ব্যক্তির হাতে না যায়, যিনি দেশটির জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবেন না, সে ঝুঁকি যুক্তরাষ্ট্র নিতে পারে না।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি