১৯ জানুয়ারি বোর্ডের পরীক্ষা কমিটির সভায় কেন্দ্র স্থগিতের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন।
বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিয়ামত এলাহী জানান, পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী একটি কেন্দ্রে সর্বনিম্ন ২০০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। অথচ এসব কেন্দ্রে গত দুই থেকে তিন বছর ধরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম। কেন্দ্রগুলোতে অনিয়মের মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা অন্য কেন্দ্রে চলে যাওয়ায় কেন্দ্র না রাখার জন্য অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকরা শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করেন। এসব আবেদনের প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রগুলো স্থগিত করা হয়েছে।
স্থগিত কেন্দ্রগুলো হলো— সাতক্ষীরা তালা সুভাষিণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা রূপসা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খালিশপুর বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়, রোটারি স্কুল, পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খালিশপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পাবলা আফিলউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আর.আর.এফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বি.কে. ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন, খানাবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল, যশোর মণিরামপুর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া পাঁচকাটিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, অভয়নগর সিদ্ধিপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মেহেরপুর গাংনী উপজেলার সাহেবনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জুগিরগোফা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ চাপরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ, রোস্তম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চুয়াডাঙ্গা হাসাদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
কেন্দ্র স্থগিত সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবগতির জন্য অনুলিপি জেলা প্রশাসকদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, স্থগিত করা কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার্থী সংখ্যা পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী পর্যাপ্ত নয়। এ কারণে ৬ জেলার জেলা প্রশাসকরা কেন্দ্র বাতিলের সুপারিশ করেছেন। পরীক্ষার্থী কম হওয়ায় পরীক্ষা পরিচালনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এসব কারণে ২০টি পরীক্ষা কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে এবং এসব কেন্দ্রে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হবে না।
রিপোর্টার্স২৪/ এসএন