| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ক্ষতিপূরণ পাবেন পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত শেয়ারহোল্ডাররা: অর্থ উপদেষ্টা

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২৬ ইং | ১৪:১৪:০৫:অপরাহ্ন  |  ৬৪৫৩৩৮ বার পঠিত
ক্ষতিপূরণ পাবেন পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত শেয়ারহোল্ডাররা: অর্থ উপদেষ্টা

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: একীভূত করা পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তবে এই প্রক্রিয়া জটিল এবং ধাপে ধাপে হিসাব নিকাশ করে বাস্তবায়ন করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. সালেহউদ্দিন জানান, পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার সময় তিনি আগেই বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পাবেন। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি বলেছি,  এখন আমরা এটি বিবেচনা করব। গভর্নর সাহেবও তার মত দিয়েছেন। তবে আমরা বলেছি, অবশ্যই যারা ডিপোজিটর, যাদের টাকা আছে সবাই পাবেন।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, শেয়ারহোল্ডারদের বিষয় টেকনিক্যাল এবং জটিল। ব্যাংকগুলোর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নেট অ্যাসেট ভ্যালু নেগেটিভ হওয়ায় শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া একটি কারিগরি বিষয়। অনেক টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ওরা শেয়ার কিনেছে, ওরা তো ওনার, আপনি দেবেন কেন? কিন্তু অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ওরা হয়তো বাজারের সিগন্যাল দেখে শেয়ার কিনেছেন। আমি বলেছি দেখা যাক কতটুকু করা সম্ভব।

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, ক্ষতিপূরণ কিভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে কাজ চলছে। পরবর্তী অর্থমন্ত্রী বিষয়টি বাস্তবায়ন করবেন। তিনি যোগ করেন, ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা যখন নেতিবাচক হয়, তখন পুরো দায় একতরফাভাবে শেয়ারহোল্ডারদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যৌক্তিক নয়।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মডেল তৈরি করতে সময় লাগবে। ধরুন কেউ বহু টাকার শেয়ার কিনেছেন, তাকে আংশিকভাবে শেয়ার দেওয়া হতে পারে বা বাকি অংশ ক্ষতিপূরণ আকারে দেওয়া হতে পারে। এটি হিসাব করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কারণ পুরো বোঝা শেয়ারহোল্ডাররা একসঙ্গে নিতে পারবেন না।

ব্যাংক খাত সংস্কারের প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, শুধু এককালীন সিদ্ধান্তে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। ব্যাংকিং খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজার ও বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী না করলে ব্যবসা-বাণিজ্য দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকনির্ভরই থাকবে। ইকুইটি পার্টিসিপেশন ও বন্ড মার্কেট ছাড়া টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

অর্থ উপদেষ্টা আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, চলমান উদ্যোগগুলো পরবর্তী সরকার ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিলে ব্যাংক খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪