স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আরোপিত বিশেষ বিধিনিষেধ শেষ হওয়ায় মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় ফিরেছে স্বাভাবিক গতি। নির্বাচনকালীন টাকার অপব্যবহার ঠেকাতে চার দিনের জন্য সীমিত করা হয়েছিল এমএফএস (মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন। ফলে বিকাশ, নগদ ও রকেট-এর গ্রাহকরা একবারে এক হাজার টাকার বেশি পাঠাতে পারছিলেন না। এতে ভোগান্তিতে পড়েন বহু ব্যবহারকারী।
গতকাল রাত ১২টার পর থেকে এসব সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র।
এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দেয়। নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে (পি-টু-পি) অর্থ স্থানান্তর সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।
মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ ছিল। ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের সীমা নির্ধারণ করা হয়। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধে আগের নিয়মই বহাল ছিল।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রতিবেদন দিতে হবে। এজন্য প্রতিটি এমএফএস প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কুইক রেসপন্স সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি পুরো সময়জুড়ে লেনদেনে সার্বক্ষণিক নজরদারির (ক্লোজ মনিটরিং) ব্যবস্থা রাখা হয়।
নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছে বলেও জানানো হয়।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম