রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: স্পেন সরকার ঘোষণা করেছে, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে থাকা ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিয়মিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশি প্রবাসীরাও উপকৃত হতে পারেন, তবে পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে দেরি থাকায় প্রায় ১০ হাজার প্রবাসী এই সুযোগ হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্পেনে এই ধরনের সাধারণ ক্ষমা আগে ২০০১ ও ২০০৫ সালে হলেও এত সহজ শর্তে এবং এত বড় সংখ্যক অভিবাসীকে নিয়মিত করার উদ্যোগ এবারই প্রথম। বাংলাদেশিদের মধ্যে আনুমানিক ২০ হাজার প্রবাসী এই সুযোগ পেতে পারেন, তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর আগে যারা স্পেনে প্রবেশ করেছেন, শুধু তারাই আবেদন করতে পারবেন।
নিয়মিতকরণের আবেদন প্রক্রিয়া এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ৩০ জুন ২০২৬ শেষ হবে। আবেদনকারীদের কোনো কাজের কন্ট্রাক্ট প্রয়োজন হবে না; শুধু পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। তবে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ধীর গতির কারণে প্রবাসীরা সময়মতো আবেদন করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি আল মামুন বলেছেন, কারও প্রলোভনে পড়ে আর্থিক লেনদেন করবেন না। চূড়ান্ত বুলেটিন প্রকাশের পর সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। ভালিয়ান্তে বাংলার সভাপতি ফজলে এলাহী বলেন, সরকারি প্রক্রিয়া দ্রুত না হলে অনেক প্রবাসী সুযোগ হারাতে পারেন। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দূতাবাসকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আহ্বান।
মাদ্রিদের বাইতুল মোকাররম জামে মসজিদের সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার বলেন, যদি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়, স্পেনের এই নিয়মিতকরণ উদ্যোগ বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ উন্মোচন করতে পারে। মাদ্রিদে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন এবং দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি