ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় সোমবার জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন। এতে অংশ নেবেন অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি।
ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে তারা উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে পারে। এর ফলে বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
যুক্তরাজ্য বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন কারণ দেশটি আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং দুর্বল সরকারি অর্থনীতি দেশটির বন্ডবাজারকে আন্তর্জাতিক তুলনায় আরও চাপের মুখে ফেলেছে।
‘কোবরা’ নামের এই জরুরি বৈঠকে যুক্তরাজ্যের সাধারণ পরিবার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব, জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্প ও সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হবে। বৈঠকে ইভেট কুপার এবং এড মিলিব্যান্ডও অংশগ্রহণ করবেন।
অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রভাব অর্থনীতিতে কতটা পড়বে তা এখন নির্ধারণ করা কঠিন। জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তিনি নাকচ করেছেন, তবে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা বিবেচনা করা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানির এই ধাক্কা যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে ৫ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে, যা ধীরগতির অর্থনীতির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম