আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ইস্যুতে অবস্থান নিয়ে নতুন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাবে প্রথম সমর্থন দেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
সোমবার (২৩ মার্চ) টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসে আয়োজিত ‘সেফ টাস্কফোর্স’-এর এক গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। ওই বৈঠকে তার পাশেই উপস্থিত ছিলেন পেন্টাগন প্রধান হেগসেথ।
ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে দীর্ঘদিনের সংকট সমাধানে তিনি শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। এ সময় তিনি পিট হেগসেথের পাশাপাশি জেনারেল কেইনসহ (উল্লেখিত সামরিক কর্মকর্তা) আরও কয়েকজনকে ডাকেন।
তার ভাষায়, ইরান প্রায় ৪৭ বছর ধরে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে এবং তারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আমরা চাইলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দিতে পারি, অথবা একটি সীমিত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে বড় সমস্যার সমাধান করতে পারি।
হেগসেথের ভূমিকা তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হয় পিটই প্রথম কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন,চলুন শুরু করি। কারণ, তাদের হাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র যেতে দেওয়া যাবে না।
তবে বক্তব্যে আংশিকভাবে দায় চাপানোর পাশাপাশি হেগসেথের প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘খুব ভালো আলোচনা’ চলছে।
যদিও ইরান এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে একে ‘ভুয়া খবর’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তেহরানের মতে, এটি সময়ক্ষেপণের কৌশল।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে ইরানকে কেন্দ্র করে বর্তমান সংঘাতের সূচনা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা শুরু করে। চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত এখনো অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি