| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

গণভোট প্রচারণায় ১ কোটি টাকা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক: রিফাত রশিদ

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২৫, ২০২৬ ইং | ১৩:৫২:৪৫:অপরাহ্ন  |  ১৫৩৫ বার পঠিত
গণভোট প্রচারণায় ১ কোটি টাকা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক: রিফাত রশিদ
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

সিনিয়র রিপোর্টার: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে সাত দিনের জন্য ১ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক,এ তথ্য জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান এবং নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ তছরুপের অভিযোগও নাকচ করেন।

রিফাত রশিদ বলেন, গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে একটি তহবিলের প্রয়োজন ছিল। সে জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক সহায়তা দিতে সম্মত হয়। তবে বৈছাআ একটি নিবন্ধিত সংগঠন না হওয়ায় সরাসরি অর্থ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে একটি ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়, যার মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা হয়।

তিনি দাবি করেন, শুরুতে বৈছাআর সদ্য সাবেক মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা ওই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও স্বাক্ষরও দেন। কিন্তু পরে তিনি নিজেকে সরিয়ে নেন এবং গণভোট কার্যক্রমে যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্ত জানান।

রিফাত আরও বলেন, মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৫ দিনের প্রচারণার জন্য ৫ কোটি টাকা দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে নিবন্ধিত ফাউন্ডেশনকে প্রথম ধাপে সাত দিনের জন্য ১ কোটি টাকা দেওয়া হয়। সেই অর্থে সারা দেশে সাত দিনব্যাপী গণভোট প্রচারণা চালানো হয়।

তিনি জানান, প্রচারণার ব্যয়ের পুরো হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত একটি অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে সিনথিয়াসহ কয়েকজন সাবেক নেতা যে অর্থ তছরুপের অভিযোগ তুলেছেন, তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন” বলে দাবি করেন রিফাত। তিনি বলেন, “কোনো তদন্ত সংস্থা বিষয়টি তদন্ত করতে চাইলে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। আমাদের কাছে সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে।

এছাড়া সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সংকটের কথাও তুলে ধরেন তিনি। রিফাত জানান, গত চার মাস ধরে নেতৃত্ব সংকটের কারণে বৈছাআ একটি ট্রানজিশনাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে। সে সময় নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ না হওয়ায় মাঠপর্যায়ের কর্মীরা বিভ্রান্তিতে পড়েন।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাবেক নেতাদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করে নতুন কমিটি করা হয়। পরবর্তীতে গঠনতন্ত্র প্রণয়নসহ সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে, যা দ্রুত কাজ শেষ করবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪