| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভাঙ্গায় পুলিশের তেলের বরাদ্দ নেমেছে অর্ধেকে, বিঘ্নিত হচ্ছে কার্যক্রম

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২৬, ২০২৬ ইং | ১৫:১২:১৬:অপরাহ্ন  |  ১৯৯২ বার পঠিত
ভাঙ্গায় পুলিশের তেলের বরাদ্দ নেমেছে অর্ধেকে, বিঘ্নিত হচ্ছে কার্যক্রম

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভিআইপিদের প্রটোকল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ এবং পুলিশিং কার্যক্রমেও মন্থর গতি দেখা দিয়েছে। তেলের সংকটের কারণে প্রতিনিয়ত এই সমস্যার শিকার হচ্ছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও হাইওয়ে থানা পুলিশ।

ফিলিং স্টেশনগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে না পারায় দিন দিন জ্বালানি তেলের সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে গোটা জনপদে। ভিআইপি প্রটোকলসহ আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যেকোনো ঘটনায় কাঙ্ক্ষিত সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ থানায় আগত ভুক্তভোগীদের।

সৃষ্ট সমস্যা প্রসঙ্গে পুলিশ সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি তেলের চলমান সংকটে পুলিশের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩০০ লিটার তেল, যেখানে আগে সরকার থেকে ৭০০ লিটার তেল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সংকটে বরাদ্দের পরিমাণ অর্ধেকেরও কমে আসায় ভিআইপি প্রটোকলসহ পুলিশিং কার্যক্রম কিছুটা মন্থর গতিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে পুলিশের সেবায় কোনো ধরনের ঘাটতি নেই বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

পুলিশ ও স্থানীয় তথ্য মতে, দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১টি জেলার প্রবেশপথ এবং জনবহুল এলাকা ভাঙ্গা উপজেলা। ভাঙ্গা-টেকেরহাট, ভাঙ্গা-মাওয়া-ঢাকা ও ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের বিস্তীর্ণ এলাকায় দিন-রাত মন্ত্রী-এমপি ও অন্যান্য ভিআইপিরা যাতায়াত করেন।

হাইওয়ে থানা, ট্রাফিক পুলিশ ও ভাঙ্গা থানার সমন্বয়ে পুলিশিং কার্যক্রম চললেও মূলত স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যরাই ভিআইপিদের প্রটোকল দিয়ে থাকেন। গড়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন ভিআইপি উপজেলার বিভিন্ন সড়কপথে যাতায়াত করেন।

থানা পুলিশ স্টেশনে দায়িত্বরত রয়েছেন দুইজন অফিসার ইনচার্জ, ১৬ জন এসআই, ১৩ জন এএসআই ও ৩৭ জন কনস্টেবল, যারা প্রতিনিয়ত সতর্কতার সঙ্গে ভিআইপি প্রটোকল ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছেন।

জ্বালানি তেলের সংকটময় সময়ে একদিকে পুলিশের ব্যস্ততা বেড়েছে ভিআইপি প্রটোকলে, অন্যদিকে সাধারণ জনগণের অভিযোগ তদন্তসহ অন্যান্য পুলিশিং কার্যক্রম ধীরগতিতে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

থানায় আগত ভুক্তভোগী সোনিয়া বেগম বলেন, স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহের সূত্রে কয়েকদিন আগে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তাকে ফোন করলে তিনি ভিআইপি ডিউটিতে থাকার কথা জানান। তিনি বিষয়টি দেখবেন বললেও এখনও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

জেলা পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম পিপিএম (সেবা) গণমাধ্যমকে জানান, ভিআইপি প্রটোকল পুলিশের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। জ্বালানি তেলের সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করে জনগণকে পুলিশিং সেবা দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪