বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি-রফতানিকৃত পণ্যচালান প্রবেশ ও খালাস প্রক্রিয়া কার্যক্রম এবং বন্দরের দায়িত্ব-সম্পর্কে ধারণা প্রদানের লক্ষ্যে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (০৪ মে) দুপুরে বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বন্দর-সম্পর্কিত বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ সাংবাদিকদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন এবং তা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর হিসেবে বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি আমদানি-রফতানি পণ্যের খালাস কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পণ্য হ্যান্ডলিং সুবিধা বৃদ্ধি এবং আধুনিকায়ন পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে প্রবেশমুখে ও বন্দর অভ্যন্তরে রেজিস্টার মেইনটেইন করা হয়। কাস্টমস, বিজিবি, সিএন্ডএফসহ বিভিন্ন এজেন্সির তত্ত্বাবধানে নিয়মানুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এ সময় সাংবাদিকরা বন্দরের পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সঙ্গে কথা বলে বন্দরের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বন্দরে পণ্য প্রবেশ ও খালাস প্রক্রিয়া কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে রিলিজ অর্ডার কম্পিউটারাইজড হওয়ায় অনেকটা সহজ হয়েছে।
এ সময় বন্দর উপপরিচালক রুহুল আমিন, কাজী রতন ও ফয়সালসহ বন্দরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর-সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে বেনাপোল বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন