| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জনগণের শাসক নয়, সেবক হয়ে থাকতে চাই: মামুনুর রশিদ

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৫, ২০২৬ ইং | ১৮:১০:১১:অপরাহ্ন  |  ৬৬৬ বার পঠিত
জনগণের শাসক নয়, সেবক হয়ে থাকতে চাই: মামুনুর রশিদ

গাজীপুর প্রতিনিধি: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ৫নং ঘাগটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়ে ইউনিয়নবাসীর শাসক নয়, সেবক হয়ে থাকতে চান মামুনুর রশিদ। এছাড়াও ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সেবা ও সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চান সৎ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি, অসহায়-দরিদ্র মানুষের বন্ধু মামুনুর রশিদ।

তিনি বর্তমানে উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন  প্যারামাউন্ট হিমাগারের। এছাড়াও ভাই ভাই ট্রেডার্স ও ভাই ভাই কোল্ডস্টোরেজ স্বত্ত্বাধিকারী। ঢাকা কোল্ডস্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ ফুডস্টাফস ইমপোর্টার্স এন্ড সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশনের (বাফিসা) পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৮২ সালের ১৭ জানুয়ারি গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কামারগাঁও গ্রামে তার জন্ম। পিতা মৃত মো: রহমত আলী ও মাতা মাজেদা বেগম দম্পতির ৭ সন্তানের মধ্যে মামুনুর রশিদ চতুর্থ।

প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়েছেন স্থানীয় ঘোরশ্বাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। মাধ্যমিক কামারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে, উচ্চ মাধ্যমিক মনোহরদী ডিগ্রি কলেজ ও স্নাতক সম্পন্ন করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে তিনি জড়িত। সেই নব্বই দশক থেকে এখনো পর্যন্ত দলের পাশে রয়েছেন তিনি, এমনকি দলের দুঃসময়েও। ৯০ দশকে তিনি ছিলেন ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। পর্যায়ক্রমে তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক, পরবর্তীতে ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক। এছাড়াও কাপাসিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক, পরবর্তীতে জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন।

সম্প্রতি কথা হয় এই প্রতিবেদককের সঙ্গে এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত ও আদর্শ নিয়ে কৈশোর থেকে বেড়ে উঠা।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করে রাজনীতি করি ও সবসময় নিজের সাধ্যমত বিভিন্ন সময় সহযোগীতা নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করি।

তিনি আরো বলেন, মানবতার প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের একজন যোদ্ধা হিসেবে সবসময় রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে দলীয় কর্কান্ডে অংশগ্রহন করে থাকি।

তিনি জানান, দলের হয়ে তো কাজ করতেছি সব সময়। তবুও মানুষের একটা প্লাটফর্ম লাগে মানুষের জন্য কাজ করতে। সেই সুবাদে আমি ঘাগটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। আমি আশাবাদী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবে। 

কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যেই কোন জনপ্রতিনিধি না হয়েও ঘাগুটিয়া ইউনিয়নসহ নিজ গ্রামের হাজারো মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের লক্ষ্যে সহযোগীতা করেছি। বিভিন্ন দ্বাতব্য ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ছাড়াও সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। মহামারী করোনা কালীন সময়ে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ, শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র, আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তিনি। 

এছাড়াও সামাজিকভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের লক্ষ্যে অনুদান প্রাপ্তিতে ভুমিকা রেখেছেন। এলাকার কিশোর ও যুবকদের খেলাধুলার প্রতি উৎসাহ বাড়াতে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করছেন তিনি। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

আগামী ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শতভাগ আশাবাদী দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার। কারণ দলের দুঃসময়ে একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করেছি, এখনো করছি এবং কাজ করে যাবো। 

বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হলে আমার প্রথম কাজ হবে ঘাগটিয়া থেকে মাদক এবং সন্ত্রাস নির্মূল করা। সকলের সহযোগিতা নিয়ে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টাও করা হবে। কোন ধরণের মাধ্যম ছাড়া, নিজে থেকেই খোঁজখবর নিয়ে ইউনিয়নের মধ্যে যেসব অসহায়-দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ রয়েছে তাদের কল্যাণে কাজ করবো। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারাটাই আমার কাছে আনন্দের ও সুখের বলেও তিনি জানান।

আমি অন্যদের মতো বসন্তের কোকিল হতে চাই না। সুবিধা বুঝে রাজনীতি করলাম আবার সুবিধা না পেয়ে দল ছেড়ে দিলাম। আমাকে ভোট দিতে হবে এমন কোন কথা নেই, যারা আমাকে ভালোবাসে তারাই আমাকে ভোট দিবেন।

আমি নির্বাচনে জয়ী হলে অথবা না হলেও আমার সেবামূলক কাজ সব সময়ই চলমান থাকবে। জয়ী হলে স্থানীয় সরকার থেকে পাওয়া প্রতিটা সুবিধা যেন ইউনিয়নের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে পৌঁছে দিতে পারি। 

অন্যান্য সময়কার চেয়ারম্যানদের মতো নয় নিজেকে আলাদাভাবে প্রমাণ করতেই সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাবেন। জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই ইউনিয়নবাসীর সেবা করার ইচ্ছে পোষণ করেন তিনি। 

রিপোর্টার্স২৪/মিতু  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪