শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় পশ্চিম সুন্দরবনে বনদুস্য বাহিনীর সক্রিয়তা সম্পর্কিত বিষয় ফলাও করে বারবার প্রচারিত হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকরী ভূমিকার অভাবে তা তীব্রমাত্রায় রূপ নিয়েছে। সুন্দরবনে পা ফেললেই বনদুস্যদের দেখা যায়।
তাদের অত্যাচার ও চাঁদাবাজি তে উপকূলীয় জেলেদের জীবন জীবিকা অবর্ণনীয় দুঃখ দুর্দশা হতাশা নেমে এসেছে। সরকারের রাজস্ব দিয়ে জেলেরা নিরাপত্তা ভাবে সুন্দরবনের মাছ কাকড়া ও মধু আহরণ করতে পারছে না ।সাম্প্রতিক সময়ে বনদস্যুদের বাড়াবাড়ি এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিনিয়ত মুক্তিপনের দাবীতে অপহরণ হচ্ছে জেলেরা। তাই জেলেরা বনে যেতে চাইছে না বাপ দাদার পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। ফলে বিপুল অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে সরকার যা জাতীয় অর্থনীতির বড় ধাক্কা।
স্থানীয় মহাজন ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকে চড়ামূল্যে ধার দেনা করে জীবনটা হাতের মুঠোয় নিয়ে জাল নৌকা সহ প্রবেশ করা মাত্রই দফায় দফায় একাধিক বনদুস্যর দেখা। প্রত্যেক বাহিনীকে চাঁদা দিয়ে মাছ কাঁকড়া বিক্রির পুরো টাকাটাই চলে যায়। চাঁদার টাকা না দিতে পারলে জাল, নৌকা ও মানুষ ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
শ্যামনগর উপজেলা মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ জানান, একাধিক বাহিনীর অত্যাচার অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। মুন্সিগঞ্জ, হরিনগর, কৈখালীসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঁচ শতাধিক জেলের সুন্দরবনে মাছ কাকড়া মধু আহরণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় সরকার। জেলেদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় নেমে আসছে বিপর্যয়, বেড়ে যাচ্ছে সামাজিক অস্থিরতা।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু