| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ছয় মাস পর পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ফিরছে বাংলাদেশ

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৭, ২০২৬ ইং | ০৯:২২:১৬:পূর্বাহ্ন  |  ১৮৪১ বার পঠিত
ছয় মাস পর পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ফিরছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: ছয় মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। আগামী ৮ মে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

গত বছরের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেট ও মিরপুরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বড় জয়ে সর্বশেষ মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে এরপর দীর্ঘ সময় সাদা বলের ক্রিকেটেই ব্যস্ত ছিল টাইগাররা। এ সময়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে কিছু ভালো ফল পেলেও লাল বলের ক্রিকেটে ফেরার অপেক্ষা বাড়তে থাকে।

সাদা বলে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল মিশ্র। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষেও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।

তবে টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক স্মৃতি দারুণ। ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ‘বাংলাওয়াশ’ করেছিল টাইগাররা। সে সিরিজেই দলের ব্যাটিং ও বোলিংয়ে ছিল সমন্বিত পারফরম্যান্স।

এখন প্রশ্ন হলো, উইকেট কেমন হবে? শুধু নাহিদ রানার কথা মাথায় রেখেই বাংলাদেশ ফাস্ট ও বাউন্সি ট্র্যাক তৈরি করবে?

পাকিস্তান শিবিরেও কিন্তু শাহিন শাহ আফ্রিদির মতো কোয়ালিটি ফাস্ট বোলার আর মোহাম্মদ আব্বাসের মতো নিয়ন্ত্রিত পেসার আছেন।

কাজেই শুধু নাহিদ রানা একাই বাংলাদেশকে জেতাবেন, এমন ভাবার যৌক্তিকতাও খুব বেশি নেই। উইকেটের চেয়েও বড় কথা হলো টিম পারফরম্যান্স।

গত বছর পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে স্পোর্টিং পিচে বাংলাদেশ একটা ইউনিট হয়ে খেলেছিল। ব্যাটাররা রান করেছেন। যখন যার কাছ থেকে যেমন দরকার ছিল, তিনি তা দিয়েছেন। একইভাবে বোলাররাও পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজের কাজ করেছেন।

রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের ৪৪৮ রানের বড় স্কোরের জবাবেও বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড পায়। সাদমান ইসলাম (৯৩), মুমিনুল হক (৫০), মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য ১৯১, লিটন দাস (৫৬) আর মিরাজের (৭৭) দারুণ ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকে ১১৭ রানে।

দ্বিতীয় ইনিংসে অফস্পিনার মিরাজ (৪/২১) আর সাকিব আল হাসানের স্পিন ঘূর্ণি (৩/৪৪) সামলাতে না পেরে মাত্র ১৪৬ রানে সব উইকেট হারায় পাকিস্তান।

জিততে বাংলাদেশের দরকার পড়ে মোটে ৩০ রানের। সেটা অনায়াসে বিনা উইকেটে তুলে ১০ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ।

রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশের অবস্থা ছিল খুব খারাপ। মাত্র ২৬ রানে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটের পতন ঘটেছিল। মনে হচ্ছিল ১০০ রানও হবে না।

ওই চরম দুর্যোগে শক্ত হাতে হাল ধরেন লিটন দাস আর মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেটে ১৬৫ রানের বিরাট পার্টনারশিপ গড়ে শুধু বিপদই কাটিয়ে দেননি, খেলার মোড়ও ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন লিটন আর মিরাজ।

দলের প্রয়োজনে দারুণ সেঞ্চুরি উপহার দেন লিটন (১৪৯)। মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ৭৮ রানের কার্যকরী ইনিংস। সেখান থেকে ২৬২-তে গিয়ে ঠেকে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর।

১২ রানে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে দুই ফাস্ট বোলার হাসান মাহমুদ (৫/৪৩) আর নাহিদ রানার (৪/৪৪) হাত ধরে পাকিস্তানকে ১৭২ রানে আটকে ফেলে। ফলে জয়ের জন্য দরকার পড়ে ১৮৫ রানের। প্রতিষ্ঠিত ব্যাটাররা সে রান করে দলকে ৬ উইকেটের জয় উপহার দেন।

এবার ঘরের মাঠেও কি অমন হবে? ব্যাটে-বলে পাকিস্তানকে ধরাশায়ী করতে পারবে স্বাগতিকরা? উত্তরটা সময়ের হাতেই তোলা থাক।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪