স্টাফ রিপোর্টার: টিকাদান কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা, বাসা-বাড়িতে ক্যাম্পেইন এবং মোবাইলফোনে এসএমএস ও পুশ নোটিফিকেশনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-এর প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সমন্বিত এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কোনো শিশুই টিকার বাইরে থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) ডিএনসিসি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে অংশীজনদের সমন্বিত কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় এবং ২০২৬ সালের হামের প্রকোপ মোকাবিলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় নয়টি অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১২টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে পোলিও ও ধনুষ্টংকার নির্মূল এবং হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এসেছে।
আলোচনায় ২০২৬ সালের হাম-রুবেলা পরিস্থিতিও গুরুত্ব পায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৬ মে পর্যন্ত দেশে ৪৪ হাজার ২৬০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী, ৬ হাজার ৯৯ জন ল্যাব-নিশ্চিত রোগী এবং ২৬৮ জন সন্দেহভাজন মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় হাম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু।
সভায় আরও জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ২০ এপ্রিল থেকে ডিএনসিসি এলাকাতেও এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।