নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পাঁচ আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার দুই উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও চার কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন ফতুল্লা মডেল থানার এসআই আবুল বাশার ও এএসআই আশিকসহ চার কনস্টেবল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকার হাশেমবাগে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল মো. সোলায়মানের বাড়িতে একদল দুর্বৃত্ত লুটপাট চালায়। খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। সেসময় লুটপাটে জড়িত পাঁচজনকে আটক করে তাদের হাতে হাতকড়া পরানো হয়। একই সঙ্গে লুট হওয়া কিছু আসবাবপত্রও উদ্ধার করা হয়।
তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগেই ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা আটক পাঁচ আসামিকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলের কাছ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় হাতকড়াগুলো উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে ফতুল্লার দেওভোগ হাশেমবাগ এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ রনি নামের এক দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রনি কাশিপুর এলাকার কালু মিয়ার ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম বলেন, পুলিশের ওপর হামলা এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব