| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চীনা নাগরিকরা জুয়ার ফাঁদে ফেলছে বাংলাদেশিদের, গ্রেপ্তার ৯

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৪, ২০২৬ ইং | ১৭:১০:১০:অপরাহ্ন  |  ৭১৪ বার পঠিত
চীনা নাগরিকরা জুয়ার ফাঁদে ফেলছে বাংলাদেশিদের, গ্রেপ্তার  ৯

সিনিয়র রিপোর্টার:  রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও অবৈধ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এদের মধ্যে ৬ জন চীনা নাগরিক। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-  এম.এ (৩৩), ঝাং জিয়াহাও (২২),  লিও জিঞ্জি (৩২), ওয়াং শিবো (২৪), চাং তিয়ানতিয়ান (২৯), জেমস ঝু (৪৩), মো. কাউসার হোসেন (২৪), মো. আব্দুল-কারিম (২৮) ও রোকন উদ্দিন (৪০)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে  এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন,  গ্রেপ্তারকৃতদের  কাছ থেকে ৩টি ৬৪-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস সিম মডিউল (ভিওআইপি জিএসএম গেটওয়ে) মেশিন, ১টি ৮-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস সিম মডিউল মেশিন, ১টি ২৫৬-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস সিম মডিউল মেশিন, বিভিন্ন অপারেটরের প্রায় ২৮০টি সিম কার্ড, একাধিক ল্যাপটপ, ২০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন, নগদ প্রায় ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা, বিদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট এবং এনআইডি ও ১টি টয়োটা মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘবদ্ধভাবে অনলাইন জুয়া, প্রতারণা, অবৈধ ই-ট্রানজেকশন এবং অর্থ পাচারের চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্যের নামে নিবন্ধিত এমএফএস এজেন্ট সিম সংগ্রহ করে সেগুলো জিএসএম গেটওয়ে ডিভাইসে ব্যবহার করে একই সঙ্গে শতাধিক সিম সক্রিয় রাখত। এসব সিম ব্যবহার করে অনলাইন জুয়ার অর্থ, প্রতারণার টাকা এবং অবৈধ লেনদেন পরিচালনা করা হতো। চক্রটি নিজস্ব জুয়ার পোর্টাল পরিচালনার পাশাপাশি কোটি কোটি টাকা বিদেশে, বিশেষ করে চীনে পাচার করছিলো। 

ডিবি প্রধান আরও বলেন,  প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে থাকা এসব চীনা নাগরিকরা প্রতারণার জন্য বাংলাদেশকে টার্গেট করে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রলুব্ধ করছে। এরপর প্রতারণার এই অর্থ নগদ বা বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঢুকছে আর তাৎক্ষণিকভাবে এই টাকাটা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।  ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে স্বল্প সময়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নং সেক্টর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাউসার, করিম ও রোকনকে এবং তুরাগ থানাধীন রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট এলাকা থেকে চীনা নাগরিকদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চক্রটি প্রথমে প্রলোভন দেখিয়ে কিছু লাভ দেবে। পরবর্তীতে দেখবেন যে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। আমরা অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখছি এই টাকাটা নগদ বা বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঢুকছে। আর তাৎক্ষণিকভাবে টাকাটা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। যারা সিম বিক্রি করে তারা বিভিন্ন সময় কম শিক্ষিত মানুষ সিম কিনতে গেলে তাদের থেকে বার বার ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয়। এগুলো ক্রেতা বুঝতেও পারে না। দেখা যায় তাদেরকে বলা হয় ফিঙ্গার হয়নি আবার দেন। এভাবে তারা একাধিক সিম রেজিস্ট্রেশন করে এসব চক্রের কাছে বিক্রি করে। 

রিপোর্টার্স/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪