| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হজযাত্রায় বিমান ভাড়া ১ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব: হাব সভাপতি

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৬, ২০২৬ ইং | ১৭:৪২:৪৪:অপরাহ্ন  |  ১২৭৬ বার পঠিত
হজযাত্রায় বিমান ভাড়া ১ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব: হাব সভাপতি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: আগামী বছরের হজযাত্রায় বিমানের টিকিট মূল্য কমিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার।

শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে চলতি বছরের হজ কার্যক্রমের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

হাব সভাপতি বলেন, বিমান সংস্থাগুলোর অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতা বন্ধ করা গেলে হজের মোট ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তার অভিযোগ, “হজ ডেডিকেটেড ফ্লাইট” এর নামে বিমান সংস্থাগুলো হজযাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৫৪ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।

তিনি বলেন, এমন একচেটিয়া ব্যবসার কারণে সাধারণ যাত্রীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। টিকিটের দাম ও মোয়াল্লেমের খরচ বেড়ে যাওয়ায় হাজিদের সংখ্যাও কমে গেছে।

সৈয়দ গোলাম সরওয়ার আরও বলেন, “টিকিটের দাম যদি ১ লাখ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনা যেত, তাহলে ১ লাখ ২৯ হাজার হাজি যেতে পারতেন। আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, আগামী বছর হজের টিকিটের দাম কমবে।”

তিনি মনে করেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা গেলে হজের সার্বিক ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ধর্ম মন্ত্রণালয়, হজ অফিস এবং হাবের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এবারের হজ ব্যবস্থাপনা সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি জানান, এবার খুব অল্প সময়ের মধ্যে মোয়াল্লেম চুক্তি, বাড়ি ভাড়া, পরিবহন চুক্তি এবং তাঁবু নির্বাচনের কাজ শেষ করতে হয়েছে।

হজের বিমান ভাড়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, “বাস্তবে বাংলাদেশ থেকে কোনো ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয় না। কিন্তু এরপরও ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইটের কথা বলে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। বিমান ভাড়া আরও কম ও যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা উচিত।”

সংবাদ সম্মেলনে হাব নেতারা সৌদি সরকারের নতুন কিছু নির্দেশনার কথাও তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যমান হজ ও ওমরাহ আইন দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান তারা।

তারা আরও আশ্বস্ত করেন, ভিসা ও ফ্লাইট সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কেটে যাওয়ায় কোটা অনুযায়ী সব হজযাত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিরাপদে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারবেন। বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই বলেও জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে হাবের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও আশকোনা হজ ক্যাম্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪