| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক আজ

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২১, ২০২৬ ইং | ১১:১৪:০৯:পূর্বাহ্ন  |  ১০৩২১৩ বার পঠিত
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক আজ

স্টাফ রিপোর্টার: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আজ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) গুরুত্বপূর্ণ ৯০তম বৈঠক। তিন দিনব্যাপী এ বৈঠকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চলবে আগামী শনিবার (২৩ মে) পর্যন্ত।

দুই দেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ ইস্যু।

বৈঠকে অংশ নিতে বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশের একটি ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কলকাতায় পৌঁছেছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীর।

দলের অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের পরিচালক মো. আবু সৈয়দ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের পরিচালক মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুমানুজ্জামান।

এ ছাড়া দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দও প্রতিনিধিদলে যোগ দেবেন।

ভারতের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের এক প্রধান প্রকৌশলীর।

এবারের বৈঠকের আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তির মেয়াদ। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক হওয়ায় আলোচনাটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল মুর্শিদাবাদে গিয়ে ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ পরিমাপ করবেন। পরে তারা কলকাতায় ফিরে মূল বৈঠকে অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট অনুপাতে পানি বণ্টনের বিধান রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ।

প্রবাহ ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং বাকি অংশ পাবে ভারত। আর পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪