| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তুরাগে বস্তাবন্দি মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন

হানিট্র্যাপের ফাঁদে পড়ে উবারচালক খুন, গ্রেপ্তার ৪

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০৭, ২০২৬ ইং | ০৯:২১:৫২:পূর্বাহ্ন  |  ২৪৯ বার পঠিত
হানিট্র্যাপের ফাঁদে পড়ে উবারচালক খুন, গ্রেপ্তার ৪

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর দক্ষিণখানে তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি অজ্ঞাতনামা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহতের নাম লোকমান সরদার। তিনি হানিট্র্যাপের ফাঁদে পড়ে অপহরণের শিকার হন। মুক্তিপণের টাকা আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মরদেহ তুরাগ নদে ফেলে দেয় বলে জানিয়েছে পিবিআই। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— এস এম সালমান, আদিব ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ও সবুজ মিয়া।

পিবিআই জানায়, রাজধানীর কুড়িল এলাকায় বসবাসকারী লোকমান সরদার পেশায় একজন উবারচালক ছিলেন। গত ৩০ মে বিকেলে যাত্রীর সন্ধানে তিনি বাসা থেকে বের হন। রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে কোনো সন্ধান না পেয়ে তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এরই মধ্যে ১ জুন দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ রাজাবাড়ী এলাকায় তুরাগ নদ থেকে প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি ভাসমান একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা যায়, নির্মম নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর পিবিআই ঢাকা মহানগর উত্তর ইউনিট মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, টঙ্গী পশ্চিম থানার পাখির বাজার এলাকা থেকে আসামি সালমানের কথিত স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মীম কৌশলে লোকমান সরদারকে হোন্ডা রোড এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সালমান, আদিব, রাকিব, সবুজ মিয়াসহ আরও চার-পাঁচজন তাকে মারধর করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে দুই লাখ টাকা দাবি করে।

একপর্যায়ে লোকমান তার এক বন্ধুর কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অপহরণকারীদের দেন। তবে এরপরও আরও টাকা দাবি করা হয়। চাহিদামাফিক অর্থ না পেয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে। পরে মরদেহ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে তুরাগ নদে ফেলে দেওয়া হয়। হত্যার পর লোকমানের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার নিয়ে তারা আত্মগোপনে চলে যায়।

পিবিআই জানায়, গত বুধবার অভিযান চালিয়ে সালমান, আদিব ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ও সবুজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় নিহতের প্রাইভেটকারটিও উদ্ধার করা হয়।

পিবিআইয়ের ঢাকা মহানগর উত্তর ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়া আলম জানান, গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সালমান ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত চারজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪