| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কুড়িগ্রামে মাদকসেবী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২১, ২০২৬ ইং | ১৮:০৫:৩২:অপরাহ্ন  |  ৪৯৯ বার পঠিত
কুড়িগ্রামে মাদকসেবী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ হাটে দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত মাদকসেবী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রোববার বিকেলে কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চিলমারী উপজেলার রমনা জোড়গাছ হাটে একই এলাকার মরহুম হোটেল ব্যবসায়ী আব্দুল শেখের চার ছেলে সিদ্দিক, আবু তালেব ও রঞ্জুসহ পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ এক যুগ ধরে পৃথক তিনটি হোটেল ও একটি ফলের দোকান পরিচালনা করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ জুন বুধবার দোকানের পাওনা টাকা চাইতে গেলে কুদ্দুস ও তার সহযোগীরা তাদের ওপর চড়াও হন। সিদ্দিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রথমে তার হোটেলে ভাঙচুর চালানো হয়। পরে একে একে বাকি তিনটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এ সময় বাধা দিলে কুদ্দুস ও তার সহযোগীরা আরও সংঘবদ্ধ হয়ে বাজারসংলগ্ন ওয়াপদা বাঁধ এলাকায় থাকা দুটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

এ সময় ভুক্তভোগীদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। অন্যথায় এলাকায় যাকে পাওয়া যাবে, তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগীরা চিকিৎসার জন্য চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হলে সেখানে গিয়েও অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে জীবনের নিরাপত্তার কারণে তারা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের নারী, শিশু ও অন্যান্য সদস্যরাও বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, কুদ্দুস ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগীদের এলাকা ছাড়া করে তাদের মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে অপপ্রচার চালাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছেন।

হোটেল ব্যবসায়ী সিদ্দিক বলেন, “আমরা পৈতৃক সূত্রে দীর্ঘ এক যুগ ধরে হোটেল ব্যবসা করে আসছি। বাজারের সবাই আমাদের চেনে। পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো প্রতি হাটে চাঁদা দাবি করা হয়। নিয়মিত চাঁদা না দিলে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট বাজারের দোকানদারদের পাশাপাশি হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকেও নিয়মিত চাঁদা আদায় করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী ও ইজারাদার জানান, চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় কুদ্দুস ও তার সহযোগীদের সঙ্গে তাদের একাধিকবার বাকবিতণ্ডা হয়েছে। সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু রমনা হাটেই নয়, পুরো এলাকায় ওই সিন্ডিকেট ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

ভুক্তভোগী আহতরা গতকাল চিলমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪