| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মিটফোর্ডে পাথরের আঘাতে সোহাগ হত্যা: ২১ জনের বিচার শুরু

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১২, ২০২৬ ইং | ২০:২৩:৫৯:অপরাহ্ন  |  ১৩৯৫ বার পঠিত
মিটফোর্ডে পাথরের আঘাতে সোহাগ হত্যা: ২১ জনের বিচার শুরু

স্টাফ রিপোর্টার: পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে (৩৯) পাথরের আঘাতে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।  

যে আসামিদের বিচার শুরু হয়েছে, তারা হলেন- মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. সজীব বেপারী, মো. নানু কাজী, মো.  রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, সাগর, মো. রুমান বেপারী, মো. আবির হোসেন ও মো. পারভেজ, মো. জহিরুল ওরফে জলিল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজিব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন ও অপু দাস।

আসামিদের মধ্যে প্রথম ১০ জন কারাগারে। পরের তিনজন উচ্চ আদালতে থেকে জামিনে রয়েছেন। শেষ আটজন পলাতক। এদিন রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আর্জি জানায়।

অপরদিকে কারাগারে ও জামিনে থাকা আসামিদের আইনজীবীরা এই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।  

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।    

তবে অভিযোগপত্রে ত্রুটি থাকায় আবারও তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পরে আবারও ২১ জন আসামির বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১০ মে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ।

সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনি ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪