| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা অপরাধ বৃদ্ধি : এপিসিআর রিপোর্টে উদ্বেগজনক তথ্য

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৭, ২০২৫ ইং | ১৪:৪৯:৫০:অপরাহ্ন  |  ১৬৭৭৩৬৯ বার পঠিত
ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা অপরাধ   বৃদ্ধি : এপিসিআর রিপোর্টে উদ্বেগজনক তথ্য

আশিস গুপ্ত, নতুন দিল্লি : অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রটেকশন অফ সিভিল রাইটস (এপিসিআর) জানিয়েছে যে, গত এক বছরে ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা অপরাধ বেড়েছে। এই হামলাগুলো মুসলিম, দলিত, আদিবাসী এবং খ্রিস্টানদের মতো বিভিন্ন সংখ্যালঘুদের উপর ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বারবার চালানো হচ্ছে। তাদের প্রতিবেদনটির নাম ‘ঘৃণা অপরাধ প্রতিবেদন: মোদীর তৃতীয় সরকারের প্রথম বছরের চিত্রণ’। 

এই প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে যে, কীভাবে ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসা ও উস্কানিমূলক কথা বলা হচ্ছে। এপিসিআর ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি সংস্থা। তারা বলছে যে, সংখ্যালঘুদের উপর হামলা বাড়লেও, এসব ঘৃণা অপরাধ রেকর্ড বা নথিভুক্ত করার কোনো সরকারি ব্যবস্থা নেই।’ঘৃণা অপরাধ’ কী? জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির সামাজিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে ঘৃণা বা শত্রুতার কারণে যখন তার জিনিসপত্র, শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি করা হয়, তখন তাকে ঘৃণা অপরাধ বলে। যেমন - হামলা, বয়কট, বের করে দেওয়া, খুন, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর বা এসবের হুমকি দেওয়া সবই ঘৃণা অপরাধের মধ্যে পড়ে। 

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ঘৃণা বক্তব্য হলো এমন আপত্তিকর কথা, যা কোনো ব্যক্তির সামাজিক পরিচয়কে লক্ষ্য করে বলা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময়ে মোট ৯৪৭টি ঘৃণা অপরাধ ঘটেছে। এর মধ্যে ৩৪৫টি ছিল ঘৃণা বক্তব্য এবং ৬০২টি ছিল সরাসরি ঘৃণা অপরাধ। এই ৬০২টি ঘটনার মধ্যে ১৭৩টিতে সংখ্যালঘুদের ওপর শারীরিক হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তি মারা গেছেন এবং তারা সবাই ছিলেন মুসলিম। এই ঘটনাগুলোতে ২৫ জন হিন্দু ব্যক্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। যদিও তারা মূল লক্ষ্য ছিলেন না, তবে ঘটনাস্থলে থাকার কারণে তাদের ক্ষতি হয়েছে। এক্ষেত্রে হিন্দু পুরুষদের চেয়ে হিন্দু নারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

গত এক বছরে দেওয়া ৩৪৫টি ঘৃণা বক্তব্যের মধ্যে ১৭৮টি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে ঘৃণা অপরাধ বেশি ঘটে। প্রতি মাসে প্রায় ৮০টি এমন ঘটনা ঘটছে, যা এখন যেন একটি ‘স্বাভাবিক’ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

অক্টোবর ২০২৪ এবং এপ্রিল ২০২৫-এ সবচেয়ে বেশি ঘৃণা অপরাধ ও ঘৃণা বক্তব্য দেখা গেছে।অক্টোবরে ৮০টি ঘৃণা অপরাধ হয়েছিল। এর বেশিরভাগই ছিল মুসলিম পুরুষদের ডান্ডিয়া/গরবায় অংশ নেওয়া এবং ‘লাভ জিহাদের’ মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে। মাসের শেষ সপ্তাহে মুসলিম মালিকানাধীন ব্যবসা বয়কটের জন্য ডানপন্থী সংগঠনগুলো প্রচার চালিয়েছিল। উত্তর প্রদেশে (২১), মধ্যপ্রদেশ (১৬) এবং মহারাষ্ট্র (১১) ছিল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য। 

উত্তর প্রদেশে অনেক ঘটনায় মুসলিম যুবকদের নবরাত্রি উৎসবে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের হয়রানি ও মারধর করা হয়েছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো ‘ধর্মীয় ধর্মান্তরের’ বিরুদ্ধেও বড় অভিযান চালিয়েছে। এতে যাজকদের হুমকি দেওয়া হয়েছে বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করেছে।মহারাষ্ট্রে ডানপন্থী সংগঠনগুলো মুসলিমদের উপর হামলা, গো-সন্ত্রাস এবং খ্রিস্টান ও মুসলিমদের প্রার্থনা সভায় বাধা দেওয়ার মতো ‘সমন্বিত অভিযান’ চালিয়েছে। 

এই বছরের এপ্রিলেও ৯৬টি ঘৃণা অপরাধের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ২৭টি ছিল উত্তর প্রদেশে। পহেলগাওঁ সন্ত্রাসী হামলার পর ঘৃণা অপরাধ বেড়েছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক মুসলিমকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এপ্রিল মাসে রামনবমী ও ইস্টার উৎসবও ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, উভয় উৎসবের সময়ই ঘৃণা অপরাধ ঘটেছে। আহমেদাবাদ ও রায়গড়ে ইস্টার উদযাপন ব্যাহত হয়েছে। মুম্বাই ও যোধপুরের মতো শহরে রাম নবমীর শোভাযাত্রা মুসলিমদের লক্ষ্য করে ঘৃণা অপরাধের জন্ম দিয়েছে।

একই মাসে, নৈনিতালে একটি যৌন হেনস্থার ঘটনা মুসলিমদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসা উসকে দেয়। সংসদে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশ হওয়া এবং মুসলিমদের এর বিরুদ্ধে আন্দোলনও দেখা গেছে। গণেশ চতুর্থী, নবরাত্রি, রামনবমী এবং হোলির মতো হিন্দু উৎসবগুলো বারবার ঘৃণা অপরাধ এবং সাম্প্রদায়িক সংহতির কারণ হয়েছে। ‘হেট ক্রাইম ট্র্যাকার’ দেখায় যে, রাজনৈতিক নেতারা, সংবাদমাধ্যম এবং পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো কিভাবে ধর্মীয় উৎসবগুলোকে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে হিংসার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। 

সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ গণেশ চতুর্থীর সময়, মধ্যপ্রদেশের পান্নায় মুসলিমদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। থানে এক মুসলিম যুবককে ‘মূত্র জিহাদ’ এবং ভিন্ন ধর্মের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার মিথ্যা অভিযোগে মারধর করা হয়। এসব হামলাকে হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাতের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

এপ্রিল ২০২৫-এর রাম নবমীতে সবচেয়ে স্পষ্ট হিংসা দেখা গেছে। রাজস্থানের যোধপুরে একটি রথে শিকল বাঁধা মুসলিম পুরুষের ছবি নিয়ে মিছিল করা হয়। একই মাসে, বারমারে একটি মসজিদ এবং তেলেঙ্গানায় একটি মাদ্রাসায় ভাঙচুর হয়। রাজস্থানের কিছু গ্রামে মুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। উত্তর প্রদেশের বাগপতে এক মুসলিম যুবককে হোলি খেলায় অংশ নিতে অস্বীকার করায় হামলা করা হয়। বরেলীতে হোলি উদযাপনের সময় মুসলিম ছেলেদের একটি সরকারি পার্কে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এসব ঘটনাকে ‘হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত’ করার অজুহাতে জায়েজ করা হয়েছিল। রিপোর্টে অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশের ভূমিকা বেশিরভাগ সময়ই নিষ্ক্রিয় বা জড়িত ছিল। 

এক বছরে নথিভুক্ত ৬০২টি ঘৃণা অপরাধের মাত্র ১৩% ক্ষেত্রে ঋওজ দায়ের করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে এক খ্রিস্টান যাজককে বজরং দলের সদস্যরা পুলিশ স্টেশনের ভেতরেই মারধর করে, যেখানে তিনি সাহায্য চাইতে গিয়েছিলেন। নবরাত্রি সম্পর্কিত অনেক ঘটনায় পুলিশকে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীদের সহায়তা করতে দেখা গেছে, যারা গরবা অনুষ্ঠানে মুসলিমদের আইডি পরীক্ষা করছিল।ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম এই ঘটনাগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যেমন, অক্টোবর মাসে সুদর্শন টিভি “গরবা কে নাম পে জিহাদ?” নামে একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে।

 এতে ভিত্তিহীন দাবি করা হয় যে, মুসলিম যুবকরা গরবা অনুষ্ঠানে মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে এবং ধর্মান্তরিত করতে আসে। এই ধরনের খবর অনলাইনে আরও ছড়িয়ে পড়ে, যা ঘৃণা বক্তব্য ও শারীরিক হিংসার মধ্যে একটি দুষ্টচক্র তৈরি করে। উল্লেখ্য, এই উৎসব-সংক্রান্ত ঘটনাগুলো - বিশেষ করে নবরাত্রি, রাম নবমী এবং হোলির সময় - মহারাষ্ট্র, ঝাড়খন্ড এবং উত্তরাখণ্ডের মতো রাজ্যগুলির নির্বাচনের সময়ের সাথে মিলে যায়, যা একটি ইচ্ছাকৃত রাজনৈতিক কৌশল নির্দেশ করে।এই সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে যে, যেকোনো ধরনের নির্বাচন এবং ঘৃণা অপরাধ ও ঘৃণা বক্তৃতার মধ্যে একটি সম্পর্ক আছে। আগে মনে করা হতো যে, এমন ঘটনা কেবল সংসদ বা বিধানসভা নির্বাচনের সময়ই ঘটে। কিন্তু এই প্রতিবেদন বলছে যে, “স্থানীয় নির্বাচনও ঘৃণা অপরাধের ঘটনার কেন্দ্র হতে পারে, বিশেষত ঘৃণা বক্তৃতার ক্ষেত্রে, যেমনটি উত্তরাখণ্ডের স্থানীয় কাউন্সিলর নির্বাচনের সময় দেখা গেছে।” 

সমীক্ষাটি বলেছে যে, দিল্লি, ঝাড়খন্ড, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরাখণ্ডে ঘৃণা অপরাধের বৃদ্ধি “নির্বাচনের সময় বিজেপির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার জন্য ঘৃণা অপরাধ এবং ঘৃণা বক্তৃতার ঘটনার সতর্ক পরিকল্পনার একটি ধরণ” নির্দেশ করে।এই সমীক্ষা রাজনৈতিক বিজ্ঞানী এবং অধিকার কর্মীদের পুরনো যুক্তিকে সমর্থন করে যে, বিজেপির ক্ষমতা বাড়ার সাথে সাথে ধর্মভিত্তিক সহিংসতাও বেড়েছে। এই কৌশলটি রাজনীতিবিদদের ঘৃণা বক্তৃতার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। যেমন, মহারাষ্ট্রের নিতেশ রানে মসজিদে ঢুকে “মুসলিমদের এক এক করে মেরে ফেলার” হুমকি দেন, বা আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন যে তিনি “মুসলিমদের বিরুদ্ধে পক্ষ নেবেন”। 

ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিরা যখন এই ধরনের কথা বলেন, তখন সাধারণ মানুষের মনে এই ধারণা তৈরি হয় যে মুসলিমরা জন্মগতভাবেই বিপজ্জনক।এই প্রতিবেদনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে: মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ সিনিয়র বিজেপি নেতারা ঘৃণা বক্তব্য এবং ঘৃণা অপরাধীদের সমর্থন করেন এবং নিজেরাও সক্রিয়ভাবে ঘৃণা বক্তব্য দেন। এপিসিআর-এর মতে, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বক্তব্য ভারতে তাদের জন্য একটি খারাপ পরিবেশ তৈরি করে। “এগুলো সমস্যা সৃষ্টি করে এবং ঘৃণা অপরাধে জড়িত ডানপন্থী সংগঠনগুলোকে উৎসাহিত করে। এটি সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়।” এক বছরে রেকর্ড করা ও বিশ্লেষণ করা ৩৪৩টি ঘৃণা বক্তৃতার ঘটনার মধ্যে, ১০৯টি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট সংগঠন দ্বারা দেওয়া হয়েছিল এবং ১৩৯টি জন প্রতিনিধিদের দ্বারা দেওয়া হয়েছিল।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে, পাঁচটি ঘৃণা বক্তৃতা মোদী নিজেই দিয়েছিলেন, ৬৩টি বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রীরা এবং ৭১ টি অন্যান্য নির্বাচিত ব্যক্তিরা। আরেকটি প্রধান বিষয় হলো, এই বছর দুজন বিচারক এবং একজন গভর্নরও ঘৃণা বক্তব্য দিয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণার জন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসা উসকে দিতে সিনিয়র বিজেপি নেতাদের সক্রিয় ভূমিকার কথা এই প্রথম কোনো রিপোর্টে আসেনি। 

আন্তর্জাতিক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের একটি ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে মোদীর নির্বাচনী প্রচারণার মূল চালিকাশক্তি ছিল ঘৃণা বক্তব্য। এতে অভিযোগ করা হয়েছে যে মোদী এবং সিনিয়র বিজেপি নেতারা তাদের পুরো নির্বাচনী প্রচারণার সময় “বারবার প্রান্তিক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বৈষম্য, শত্রুতা এবং হিংসা উসকে দেওয়ার মতো মন্তব্য করেছেন”। 

এতে বলা হয়েছে যে মোদী নিজেই ১১০টি বক্তৃতায় ইসলামোফোবিক মন্তব্য করেছেন। এপিসিআর এটিও নিশ্চিত করেছে যে, বিজেপি নেতৃত্বের ঘৃণা বক্তব্যই ছোট ছোট হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর মূল কারণ।প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে যে, এই সহিংসতা এবং ভিন্ন ধর্মীদের প্রতি বিদ্বেষ কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন উপাদানের কাজ নয়, বরং সরাসরি শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্ব থেকেই এর সূত্রপাত। গত বছর দেওয়া ৩৪৩টি ঘৃণা বক্তৃতার মধ্যে, বিজেপি ১৭৮টি ঘটনা নিয়ে শীর্ষে ছিল, এরপর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ২১টি এবং বজরং দল ২০টি ঘটনা নিয়ে ছিল। 

এপিসিআর-এর এই প্রতিবেদনটি শুধু এক বছরের হিংসার চিত্রই তুলে ধরে না, এটি এমন একটি দেশের ছবি তুলে ধরে যা একটি বিপজ্জনক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। হিন্দুত্ব এখন কেবল একটি মতাদর্শ নয়; এটি একটি শাসন কাঠামো, যা সহিংসতার নিয়মিত প্রবণতা, সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং তাদের সুরক্ষার জন্য থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নীরবতায় স্পষ্ট।


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪