| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মৌলিক সংস্কার বিএনপিসহ কয়েকটি দলের জন্য আটকে আছে : আখতার হোসেন

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৯, ২০২৫ ইং | ১৪:৫৬:২০:অপরাহ্ন  |  ১৭৩৭১৪৩ বার পঠিত
মৌলিক সংস্কার বিএনপিসহ কয়েকটি দলের  জন্য আটকে আছে : আখতার হোসেন
ছবির ক্যাপশন: ফাইল ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার :  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার নিয়ে দরকষাকষি চলছে। আজকের আলোচনায় মৌলিক সংস্কারে ঐকমত্য হতে অনেক দূরে থাকতে হয়েছে। বিএনপির আপত্তির জন্য সাংবিধানিক পদের নিয়োগ কমিটি গঠন করা যায়নি। মৌলিক সংস্কার বিএনপিসহ কয়েকটি দলের জন্য আটকে আছে।

রোববার (২৯ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, যখন দলগুলোর মাঝে এনসিসির বিষয়ে আলোচনা হলো তখন নাম নিয়ে অভিযোগ আসে এবং এর নাম সংবিধান ও সংবিধিবদ্ধ কমিটি করা হয়। এর মধ্যে ছিল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কমিশনের নিয়োগ এই কমটির আওতায় আনা। তারপরও বিএনপি এবং কয়েকটি দলের বাধার কারণে সেটিকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

আখতার হোসেন  বলেন, উচ্চকক্ষের আলোচনা যখন এসেছে প্রায় সব রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতিতে প্রতিনিধিত্বের কথা বলেছে সেখানেও আজকের হাউজ বাধার মুখে পড়েছে। একটা দল চাইলেই যেন সংবিধান সংশোধন না করতে পারে এইসব প্রস্তাবেও কিছু কিছু রাজনৈতিক দল সম্মতি দেয়নি। সবমিলিয়ে বিএনপি এবং সমমনা কয়েকটি দলের জন্য কমিশন আটকে আছে। কমিশন আবারও দলগুলোকে এসব বিষয়ে পুনর্বিবেচনার কথা বলেছে।

তিনি আরও বলেন, কেউ চাইলেই ক্ষমতায় এসে নির্বাচন কমিশন, দুদক, পিএসসির মতো প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করতে পারবে না। কোন সরকার ক্ষমতায় বাংলাদেশের সরকারের জবাবদিহিতার জায়গাকে নিশ্চিত হতে দেবে না এমন কারোর সাথে আপামর জনতার কোনো সংযোগ নেই।

তিনি বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলোচনা হয়ে যাওয়ার পরেও সেসব বিষয় অমীমাংসিত থেকে যাচ্ছে। হাউজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না। এটা আমাদের জন্য একটা আশঙ্কার জায়গা তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এমন এক বাংলাদেশ চেয়েছিলাম যে বাংলাদেশে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকবে, বিকেন্দ্রীকরণ থাকবে। যদি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো সেগুলোকে যদি প্রধানমন্ত্রীর করায়ত্ত করা হয় পূর্বের মতো করে, তাহলে আমাদের এই ঐক্যবদ্ধ কমিশনে বসা, এত মানুষের জীবন দেয়া তার আলাদা করে কোনো অর্থ থাকে না।

আক্তার বলেন, আমরা খুব স্পষ্ট করে বলেছি যে- উচ্চকক্ষ অবশ্যই সংবিধান সংশোধনের জন্য। আমরা বলেছি, নিম্নকক্ষেও সেখানে টু থার্ড মেজরিটি লাগবে। উচ্চকক্ষেও টু থার্ড মেজরিটি লাগবে এবং সংবিধানের মৌলিক কিছু বিষয়বস্তু আছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসএমএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪