| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভারতে বসবাস করে বাংলাদেশে বেতন তোলার অভিযোগ অধ্যক্ষ দম্পতির বিরুদ্ধে

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৪, ২০২৫ ইং | ১০:৫৭:৫৬:পূর্বাহ্ন  |  ১৭১৩৯৬৮ বার পঠিত
ভারতে বসবাস করে বাংলাদেশে বেতন তোলার অভিযোগ অধ্যক্ষ দম্পতির বিরুদ্ধে
ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ এবং তাঁর স্ত্রী, সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক চম্পা রানী মন্ডলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এই শিক্ষক দম্পতি বছরের বেশিরভাগ সময় ভারতে বসবাস করেও বাংলাদেশের কলেজ থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও চম্পা রানী মন্ডল পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী শহরে একটি বাড়ি কিনেছেন এবং সেখানেই দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করছেন।

অভিযোগ উঠেছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই দম্পতি ভারতে চলে যান। এরপর অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ দেশে ফিরলেও তাঁর স্ত্রী চম্পা রানী মন্ডল এখনো ভারতেই অবস্থান করছেন। ভারতে যাওয়ার আগে তিনি চেকে স্বাক্ষর করে রেখে যান, যার মাধ্যমে পরবর্তীতে তাঁর বেতন-ভাতা নিয়মিত উত্তোলন করা হয়।

তবে অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী বর্তমানে মেডিকেল ছুটিতে ভারতেই রয়েছেন। তিনি দুই দফায় মোট ছয় মাসের ছুটি নিয়েছেন এবং সবকিছুই নিয়ম অনুযায়ী চলছে বলে দাবি করেন।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, অনিয়ম, নিয়োগ বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় গত ১৮ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এই দম্পতির এমপিও (মাসিক পরিশোধ আদেশ) বাতিল করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী সচিব দীপায়ন দাস শুভ এই আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ভারতে থাকাকালীন সময়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বিমল পান্ডে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, এই দম্পতি কলেজ গভর্নিং বডি এবং প্রশাসনিক মহলের সঙ্গে যোগসাজশ করে দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। অফিস সহায়ক সজল সরকার তাঁদের এই কাজে সহযোগিতা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

নবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা প্রেমান্দ সরকার বলেন, “দুর্লভানন্দ বাড়ৈ অনিয়ম করে চাকুরি নিয়েছেন। তিনি ভারতের কল্যাণী শহরে বাড়ি করেছেন এবং সেখানেই তাঁর স্ত্রী-সন্তানরা রয়েছেন, অথচ বাংলাদেশের কলেজ থেকে বেতন তুলছেন। নামমাত্র মেডিকেল ছুটি নিয়েছেন, কিন্তু বেসরকারি কলেজে এক মাসের বেশি ছুটি হয় না, অথচ তিনি ছয় মাসের ছুটি নিয়েছেন।”

ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল আরেফীন জানিয়েছেন, এই অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



রিপোর্টার্স২৪/আরএইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪