চবি প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী বুধবার। সেই হিসেবে আজ শুক্রবারই (১০ অক্টোবর) শেষ জুমা। তাই প্রচারেও তৎপর হয়েছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীদের প্রচারপত্র বিলি, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, ছবি তোলায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে প্রতিটি মসজিদ প্রাঙ্গণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকা, সোহরাওয়ার্দী হলের মোড়, গোলচত্বর ও স্টেশন এলাকায় প্রার্থী ও ভোটারদের সমাগম। জুমার নামাজের পর প্রার্থীরা ব্যস্ত হয়ে ভোটারদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন, ব্যালট নম্বরসহ নিজের ইশতেহার তুলে ধরছেন। ভোটারও নিজের বিভিন্ন ইচ্ছের কথা জানাচ্ছেন।
প্রার্থীরা জানান, শিক্ষার্থীরা এবার দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে যোগ্যদের বেছে নেবেন। দীর্ঘদিন পর এ নির্বাচন হওয়ায় দলমত-নির্বিশেষে সব শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। স্বতন্ত্রভাবে সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা যাঁরা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই, স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি, ভোটাররা তাঁদের সাড়া দিচ্ছেন। আশা করছি, শিক্ষার্থীরা দক্ষতার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন।’
স্বতন্ত্র সহদপ্তর সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মো. আলীমুল শামীম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মাঝে এখন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে। প্রার্থীরা শিক্ষার্থীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ইশতেহার শোনাচ্ছেন। অনেক দিন পর যেহেতু নির্বাচন হচ্ছে, আশা করি ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবেন।’
ছুটির দিনে প্রার্থীদের প্রচারে উচ্ছ্বাসিত শিক্ষার্থীরাও। ক্রিমিনোলজি ও পুলিশ সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রার্থীরা তাঁদের প্রচার চালাচ্ছেন। অনেক দিন পর নির্বাচনের এমন আমেজ দেখা যাচ্ছে। প্রার্থী আর ভোটারদের মধ্যে উৎসবমুখর কুশল বিনিময় করতে দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখে ভালো লাগছে।
ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রকিবুল চৌধুরী বলেন, ‘ঈদের সময় যেমন আনন্দের পরিবেশ থাকে, আজকেও তেমনই একটা উৎসবমুখর আবহ দেখেছি। আশা করছি, এমন পরিবেশ চাকসু নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বজায় থাকবে।’
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব