| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও হৃদ্‌রোগে আক্রান্তদের যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বাতিলের আশঙ্কা

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ০৮, ২০২৫ ইং | ০৩:৫৬:২৭:পূর্বাহ্ন  |  ১২৮৯৩৩৪ বার পঠিত
ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও হৃদ্‌রোগে আক্রান্তদের যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বাতিলের আশঙ্কা
ছবির ক্যাপশন: ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও হৃদ্‌রোগে আক্রান্তদের যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা বাতিলের আশঙ্কা

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে আগ্রহীদের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ তৈরি করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ নির্দেশিকা। এবার ভিসাপ্রার্থীদের মধ্যে ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা হৃদ্‌রোগে আক্রান্তরা পড়তে পারেন ঝুঁকিতে তাদের আবেদন বাতিল হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এই নতুন নির্দেশনা জারি করে। এতে বলা হয়েছে, এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর ‘পাবলিক চার্জ’ বা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে উঠতে পারেন। তাই যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে আবেদনকারীর স্বাস্থ্য ও আর্থিক সক্ষমতা বিশদভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক কেএফএফ হেলথ নিউজ জানিয়েছে, নতুন এই নীতিমালা ইতোমধ্যে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে নোটিশ আকারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ভিসা প্রক্রিয়ায় কেবল সংক্রামক রোগ, টিকাদানের ইতিহাস, মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বিবেচনায় নেওয়া হতো। কিন্তু নতুন নির্দেশনায় যুক্ত হয়েছে হৃদ্‌রোগ, শ্বাসযন্ত্র, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, মেটাবলিক, স্নায়বিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যা ভবিষ্যতে ভিসা প্রাপ্তির পথে বড় বাধা হয়ে উঠতে পারে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কিছু রোগের চিকিৎসা ব্যয় কয়েক লাখ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। ফলে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আবেদনকারী এসব চিকিৎসা খরচ নিজে বহন করতে সক্ষম কি না, তা মূল্যায়ন করতে হবে।

তবে অলাভজনক আইনি সহায়তা সংস্থা ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্কের সিনিয়র অ্যাটর্নি চার্লস হুইলার বলেছেন, এই নির্দেশনা সব ভিসা প্রকারের জন্য প্রযোজ্য হলেও এটি মূলত স্থায়ী বসবাসের (পারমানেন্ট রেসিডেন্সি) আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কঠোরভাবে কার্যকর হতে পারে।

হুইলার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়গুলো মূল্যায়নের দায়িত্ব ভিসা কর্মকর্তাদের ওপর ন্যস্ত করা উদ্বেগজনক। কারণ তারা চিকিৎসক নন; ফলে ব্যক্তিগত ধারণা বা পক্ষপাত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভিসা কর্মকর্তাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে—আবেদনকারীর আজীবন চিকিৎসা খরচ বহনের আর্থিক সামর্থ্য আছে কি না, যাতে তিনি সরকারি সহায়তা বা দীর্ঘমেয়াদি প্রতিষ্ঠানভিত্তিক চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করেন। এছাড়া আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য অবস্থাও বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। যেমন সন্তান বা প্রবীণ অভিভাবকের কোনো শারীরিক অক্ষমতা, দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা বিশেষ যত্নের প্রয়োজন থাকলে তা আবেদন মূল্যায়নে প্রভাব ফেলবে।

অভিবাসন আইনজীবী সোফিয়া জেনোভেস জানান, এই নির্দেশনা অনুযায়ী ভিসা কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করা হয়েছে আবেদনকারীর চিকিৎসা ইতিহাস বিশ্লেষণ করে তাদের সম্ভাব্য চিকিৎসা ব্যয় ও কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করতে—যাতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে তারা রাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক বোঝা (‘পাবলিক চার্জ’) হয়ে না ওঠেন।

সূত্র: এনডিটিভি


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪