বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামের এক প্রতিবন্ধী পরিবারের তিন বছর বয়সী শিশু কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুশয্যায়। শিশুটির চিকিৎসার জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন অসহায় এই পরিবারটি।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পিতা আব্দুর রাজ্জাক (৪০) ডান চোখে কিছুই দেখতে পান না, বাম চোখে অল্প আলোর ঝলকই তার ভরসা। তার স্ত্রী শেফালী খাতুন (৩২) বাক প্রতিবন্ধী, জিহ্বা ছোট হওয়ায় তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না। তাদের একমাত্র ছেলে আব্দুর রহমানের বয়স তিন বছর। শিশুটির কিডনিতে পাথর ধরা পড়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে শিশুর জ্বরের সঙ্গে পেটের বাঁ পাশে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায়, তার দুই কিডনিতেই পাথর রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওষুধে নয়, অপারেশন ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এ জন্য প্রয়োজন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা।
গ্রামের মানুষ ও বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে কিছুদিন চিকিৎসা চালানো হলেও এখন আর কোনো টাকা অবশিষ্ট নেই। ভিটেমাটি দেড় কাঠা, সেটিও বিক্রি করলে পথের মানুষ হয়ে পড়বেন রাজ্জাক।
২০১৯ সালে একই পরিবারের মা শেফালী খাতুনও কিডনি অপারেশন করিয়েছিলেন। তখনকার চিকিৎসা খরচে নিঃস্ব হয়ে পড়েন রাজ্জাক। এখন সন্তানের জীবন বাঁচাতেই তার আকুতি- ‘একমাত্র সন্তানটিকে বাঁচাতে না পারলে আর বেঁচে থাকার মানে থাকবে না।’
অসহায় বাবা রাজ্জাক সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
সহযোগিতার নম্বর: বিকাশ ০১৭৪৬-৯১১৮২৪ (আব্দুর রাজ্জাক)।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে