| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার জড়িত

গুলশানে ভুয়া মালিক সেজে প্লট দখলের চেষ্টা

দুজনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০১, ২০২৫ ইং | ২০:৩৪:৫০:অপরাহ্ন  |  ১১৮৮৭৪৭ বার পঠিত
গুলশানে ভুয়া মালিক সেজে প্লট দখলের চেষ্টা

রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: রাজধানীর গুলশানে সাড়ে ১১ কাঠা সরকারি জমি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে দখলের অভিযোগে সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার মো. আবদুল আওয়াল ও তাসলিমা ইসলামের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুদক কার্যালয়ে এ চার্জশিট অনুমোদন করা হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

দুদক জানায়, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মাসুদুল আলমের অভিযোগে ২০১৪ সালের ১৬ জুন গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত করেন দুদকের উপপরিচালক মোজাম্মিল হোসেন।

তদন্তে উঠে আসে, পাকিস্তান আমলে গুলশান মডেল টাউনের সিডাব্লিউএস(বি)-৮৪ নম্বর প্লটটি প্রথমে ডিআইটির সহকারী প্রকৌশলী মো. আলী হোসেনকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে ১৯৬৬ সালে আনিসুল ফাতেমা নামের এক নারী প্লটের লিজ পান। ১৯৭১ সালে দেশত্যাগের পর প্লটটি ‘পরিত্যক্ত সম্পত্তি’ হিসেবে সরকারি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ১৯৮৬ সালের গেজেটে ‘ক’ তালিকাভুক্ত সম্পত্তি ঘোষণা করা হয়।

আসামি তাসলিমা ইসলাম পরিত্যক্ত সম্পত্তি জেনেও একটি অস্তিত্বহীন নারীকে ‘আনিসুল ফাতেমা’ সাজিয়ে ভুয়া দলিল তৈরি করেন। এতে সহযোগিতা করেন সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আবদুল আওয়াল। দলিলে দেওয়া ঠিকানা ৩২, হাটখোলা রোড, ঢাকা তদন্তে ভুয়া প্রমাণিত হয়। দলিলের সাক্ষীরাও কল্পিত বলে নিশ্চিত হয় দুদক।

তদন্তে আরও দেখা যায়, উভয় আসামি যোগসাজশে অপ্রত্যাহারযোগ্য সাধারণ আমমোক্তারনামা প্রস্তুত করেন, যা আইনগত ভিত্তিহীন এবং সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মামলা সংশ্লিষ্ট অভিযোগে দণ্ডবিধি ১৬৭/২১৭/২১৮/১০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৫১১ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭–এর ৫(২) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪