নাটোর ও লালমনিরহাট প্রতিনিধি: নাটোরের নলডাঙ্গা ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সারের সংকট ও অতিরিক্ত দামের অভিযোগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। রোববার সকালে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে তুলে নেওয়া হয়।
নলডাঙ্গার কৃষকদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামে টিএসপি, ইউরিয়া, ডিএপি ও এমওপি সরবরাহের কথা থাকলেও ডিলারেরা সময়মতো সার দেননি। কৃষক সাইদুল ইসলাম জানান, সরকারি মূল্যের চেয়ে প্রতি বস্তায় ৬০০–৭০০ টাকা বেশি দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে। কৃষক রফিকুল ইসলামের দাবি, ডিলারের দোকানে সার না পেয়ে তারা উপজেলা পরিষদ ঘেরাও ও পরে সড়ক অবরোধে নামেন।
পরে ইউএনও আল এমরান খান ও কৃষি কর্মকর্তা কিষোয়ার হোসেন দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। ইউএনও জানান, বোরো মৌসুম শুরু হতে আরও সময় থাকায় ১৫ দিনের মধ্যে সারের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। নাটোর ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুস সালাম বলেন, ইউরিয়া ও টিএসপি এখন যৌথভাবে ডিএপি নামে সরবরাহ হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
একইভাবে, হাতীবান্ধায় সারের সংকটে সিন্দুর্না ইউনিয়নে কৃষকেরা লালমনিরহাট–বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করেন। অভিযোগ ওঠে, স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পরিবেশক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। ইউএনও শামীম মিঞার আশ্বাসে তিন ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন কৃষকেরা। পরিবেশক ওয়াছেক খান অভিযোগ অস্বীকার করেন।
কৃষকদের দাবি, ভুট্টা মৌসুম শুরু হওয়ায় ইউরিয়ার সংকট তীব্র হয়েছে। বিক্রয়কেন্দ্র খুলে কিছু সার দেওয়ার পর আবার বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ে। প্রশাসন জানিয়েছে, মজুত কম থাকায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে, চাহিদা কমলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি