| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার চাষীরা

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ১২, ২০২৫ ইং | ১৩:২০:১০:অপরাহ্ন  |  ৪১৯৫৬৫ বার পঠিত
বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার চাষীরা

মাগুরা প্রতিনিধি: কৃষি এলাকা হিসেবে খ্যাত মাগুরা সদর উপজেলা সহ চার উপজেলার মধ্যে শালিখা উপজেলায় ধান উৎপাদন বেশি হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ মানুষই কৃষিতে নির্ভরশীল। চলতি বছর জেলার বিভিন্ন এলাকায় রোপা আমন ধান কাটার আমেজ শেষ হতে না হতেই বোরো ধানের বীজ বপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার বোরো ধান চাষীরা।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধানের বীজতলা তৈরি ও বীজ বপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বোরো ধান চাষীরা। বীজতলা তৈরিতে কেউ সেচ দিচ্ছেন, কেউ লাঙ্গল দিয়ে বীজতলা চাষ দিচ্ছেন, আবার কেউ আগাছা পরিষ্কার করে বীজতলা সুন্দরভাবে তৈরি করছেন।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি আবাদে ৩৯ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হবে। এ লক্ষ্যে জেলায় ১ হাজার ৮৭৪ হেক্টর জমি বীজতলা তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বছর জেলায় উফশী ব্রি ধান-৮৮, ব্রি ধান-৮১, ব্রি ধান-৫০, ব্রি ধান-৯২, ব্রি ধান-১০১, ব্রি ধান-১০৪, ব্রি ধান-১০৮, হাইব্রিড এগ্রো-১২, সিনজেনটা-১২০৩ এবং সুবর্ণা-৩ জাতের বোরো ধানের বীজতলা তৈরির জন্য প্রান্তিক চাষীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের কৃষক মো. সুজন মোল্যা জানান, এ বছর তিনি সাড়ে ৪ একর জমিতে বোরো ধান রোপণের জন্য ৯০ কেজি বীজ বপন করেছেন। এর মধ্যে বেনাপোল জাতের বীজ ৭০ কেজি ও খাটো বাবু জাতের বীজ ২০ কেজি বপন করা হয়েছে। এতে তার মোট খরচ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার টাকা। তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা ও কুয়াশায় চারা হলুদ হয়ে যাচ্ছে। যদিও পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

শালিখা উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের দরিশলই গ্রামের ব্রজেন বিশ্বাস জানান, তার ৫ একর জমিতে বোরো ধানের চাষের জন্য বীজ বপন করছেন। তিনি এখানে ৭০ কেজি বিভিন্ন জাতের ধানের বীজ বপনের জন্য বীজতলা প্রস্তুত করছেন। এর মধ্যে ব্রি-৯২ ও ব্রি-৮ জাতের ধান ভালো হয় বলে তিনি জানান।

কৃষকেরা বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরো ধানের বীজের চারা অনেক ভালো হবে। তারা আরও বলেন, আমরা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী বীজ বপন করেছি।

এ বিষয়ে মো. তাজুল ইসলাম, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মাগুরা জানান, এ বছর জেলায় ৩৯ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর জন্য ১ হাজার ৮৭৪ হেক্টর জমি বীজতলা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা বোরো ধান চাষীদের উন্নত জাতের ধানের বীজতলা তৈরির পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ উন্নত জাতের ধান চাষে ফলন ভালো হয়, চাষীরা লাভবান হন এবং পোকামাকড় ও রোগবালাই কম হয়।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪