আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ঢাকার এক যুবক জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল আদালতে ৯টি অভিযোগ আনা হয়েছে। ২৯ বছর বয়সী জাহিদ ঢাকায় বসে অনলাইনে জাল মার্কিন পাসপোর্ট, সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড এবং ড্রাইভার্স লাইসেন্স বিক্রি করতেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ১২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও সাড়ে ২২ লাখ ডলার জরিমানা হতে পারে।
মামলাটি পরিচালনা করছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএস অ্যাটর্নি বেঞ্জামিন হারগ্রোভ। তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছে এফবিআইয়ের বিলিংস ডিভিশন এবং সল্ট লেক সিটি সাইবার টাস্ক ফোর্স। ঢাকার পুলিশও এফবিআইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করছে।
মন্টানার অ্যাটর্নি অফিসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে তিনটি ওয়েবসাইট ডোমেইন জব্দ করা হয়েছে—www.techtreek.com, www.egiftcardstorebd.com এবং www.idtempl.com।
এসব সাইটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাল পরিচয়পত্র বিক্রি করা হতো।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জাহিদ হাসান বাংলাদেশ থেকে ‘TechTreek’ এবং ‘EGiftCardStoreBD’ নামে ওয়েবসাইট পরিচালনা করেন। প্রতিটি জাল মার্কিন পাসপোর্ট ১২ ডলারে, সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড ৯.৩৭ ডলারে এবং মন্টানা ড্রাইভার্স লাইসেন্স ১৪ ডলারে বিক্রি করা হতো। ক্রিপ্টোকারেন্সি যেমন বিটকয়েনের মাধ্যমে গ্রাহকরা পেমেন্ট করতেন। তদন্তে জানা গেছে, চার বছরে ১,৪০০-এর বেশি গ্রাহকের কাছ থেকে জাহিদ প্রায় ২.৯ মিলিয়ন ডলার (৩৫ কোটি টাকা) আয় করেছেন।
প্রাথমিক তদন্তে ২০২৫ সালের ১৩ মে বোজম্যান শহরের একজন গ্রাহকের সঙ্গে লেনদেনকে মূল সূত্র হিসেবে দেখছে এফবিআই। জাহিদের বিরুদ্ধে প্রথম আটটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং নবম অভিযোগে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি