| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান,সঙ্গী স্ত্রী ও মেয়ে

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫ ইং | ১৯:১৪:০৯:অপরাহ্ন  |  ৩৩৭৯৬৭ বার পঠিত
১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান,সঙ্গী স্ত্রী ও মেয়ে
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ওই পোস্টে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরা হয়।

পোস্ট অনুযায়ী, তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। অবতরণের পর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

দেশে পৌঁছানোর পর তারেক রহমানের প্রথম ও প্রধান কর্মসূচি হলো এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার গুরুতর অসুস্থ মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা। তবে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি রাজধানীর ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট) এলাকায় অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশবাসীর উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাবেন। এরপর তিনি সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে মায়ের পাশে থাকবেন এবং সেখান থেকে গুলশানে নিজ বাসভবনে ফিরবেন।

মাহদী আমিন জানান, এটি কোনো জনসভা বা সংবর্ধনা নয়। শুধুমাত্র দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া এবং দেশের কল্যাণ কামনার উদ্দেশ্যে এ সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে তারেক রহমানই একমাত্র বক্তা থাকবেন।

জনদুর্ভোগ কমাতে রাজধানীর কেন্দ্রস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মতো জায়গা এড়িয়ে রাজধানীর একপাশে অবস্থিত ৩০০ ফুট প্রশস্ত ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’-এর সার্ভিস লেনের একাংশ বেছে নেওয়া হয়েছে। একই উদ্দেশ্যে ঢাকাজুড়ে ২০টি মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে চিকিৎসক, প্যারামেডিক, ওষুধ ও অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। বক্তব্যস্থলের কাছে ছয় শয্যার একটি অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতালও থাকবে, আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্সসহ।

যানজট ও জরুরি চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে আলাদা বাস পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিমানবন্দরগামী ও বিদেশফেরত যাত্রী, রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স এবং জরুরি যানবাহনের জন্য কাকলী মোড়, বিমানবন্দর এলাকা ও আব্দুল্লাহপুরে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হবে। প্রয়োজনে মোটরবাইক এসকর্টের মাধ্যমে জরুরি যান চলাচল নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, জনভোগান্তি এড়াতে সরকারি ছুটির দিন ২৫ ডিসেম্বরকেই প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই দিনের পরপর আরও দুই দিন সরকারি ছুটি থাকায় টানা তিন দিনের ছুটি যানজট ও নাগরিক চাপ কমাতে সহায়ক হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, এই প্রত্যাবর্তন যেন কোনোভাবেই বিশৃঙ্খলা বা নাগরিক দুর্ভোগের কারণ না হয়। শান্তিপূর্ণ আচরণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মাহদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে অনেকে দেশের বিরাজমান অস্থির পরিস্থিতিতে জনগণের ঐক্য সৃষ্টি এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন। ফলে এটি কেবল ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪