রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিয়া উদ্যান, সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং ঢাকা–আরিচা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর তারেক রহমান প্রথমে শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফেরেন তারেক রহমান। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর এটিই তার প্রথম রাষ্ট্রীয় গুরুত্বসম্পন্ন কর্মসূচি। এ উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু জানান, তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে স্মৃতিসৌধ চত্বর ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে এবং সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।
তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে সাভারজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে সাভার এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেছেন। অনেক নেতাকর্মী জানিয়েছেন, প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে তারা শুক্রবার থেকেই স্মৃতিসৌধগামী মহাসড়কে অবস্থান নেবেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন, তারেক রহমানের কর্মসূচিকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, শুক্রবার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় ৫০ হাজারের বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ৩০০ ফিট (জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে) এলাকা পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয় রাজধানী। পরে সেখানে আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় তিনি দেশ গঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সেদিন আবেগঘন বক্তব্যে তারেক রহমান একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন—যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম