| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫ ইং | ১৭:৫৮:৪০:অপরাহ্ন  |  ১০৫৭৬৭০ বার পঠিত
লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগানোর ঘটনায় মো. রুবেল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী কে এম শাহজাহান কামালের এপিএস পরিচয়ধারী শিমুল চক্রবর্তী ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে দিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি ও নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে এটি সংঘটিত হয়।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার রুবেল লক্ষ্মীপুর পৌরসভার দক্ষিণ মজুপুর এলাকার মৃত আবুল হাশেমের ছেলে এবং সদর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হাকিমের ভাই। তিনি বিদ্যুৎ অফিসের সাবেক গাড়ি চালক। তার ভাই ছাত্রলীগ করায় তিন মাস আগে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। চাকরিকালীন সময়েই সাবেক মন্ত্রীর এপিএস শিমুলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়।

এসপি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি ও নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে শিমুল ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে রুবেলকে আগুন লাগানোর প্রস্তাব দেন। রুবেল এতে রাজি হন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ১১ ডিসেম্বর বিকেলে রুবেল জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে যায়। ওইদিন সন্ধ্যায় শিমুল তার বিকাশে ২ হাজার টাকা পাঠান। ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রুবেল একটি হোটেল থেকে এক লিটার পানির বোতল কিনে সেখানে পানি ফেলে খালি বোতলটি নিয়ে স্টেডিয়ামের সামনে বেলালের দোকান থেকে ১ লিটার পেট্রোল সংগ্রহ করে। গভীর রাতে মাস্ক পরে নির্বাচন কার্যালয়ে ঢুকে নিচ তলার উত্তর পাশে স্টোর রুমের জানালা খোলা পেয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগায়। পরে বোতলটি নির্বাচন অফিসের বাউন্ডারি প্রাচীরের উপর দিয়ে ফেলে দেন।

আগুন লাগানোর সময় তার ডান পাশে কানের নিচে ও ডান দাড়ির কিছু অংশ পুড়ে যায়। এরপর মোবাইল ফোন দিয়ে আগুন লাগানোর দৃশ্যের ছবি তুলে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে বাসায় এসে পরিহিত জামা-কাপড়ও আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন। শিমুল ওইদিন বিকাশে বাকি ৮ হাজার টাকা পাঠান।

গ্রেপ্তারের পর রুবেলের স্বীকারোক্তি ও প্রদর্শিত স্থানের ভিত্তিতে নির্বাচন ভবনের বাউন্ডারি প্রাচীরের উত্তর পাশের নিচু জমি থেকে পেট্রোল বোতল উদ্ধার করা হয়।

এসপি আবু তারেক জানান, রুবেলের ব্যবহৃত স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। তার মোবাইল থেকে আগুন ধরানোর স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে। মোবাইল কথোপকথন পর্যালোচনা ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রুবেল জেলা খাদ্য গুদাম ও এলজিইডি অফিসে আগুন লাগানোর পরিকল্পনাতেও জড়িত ছিল। যে দুটি বিকাশ নাম্বার থেকে রুবেলকে টাকা পাঠানো হয়েছে, সেগুলোও শনাক্ত করা হয়েছে। নির্দেশদাতা ও অন্যান্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

রিপোর্টার্স২৪/এনএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪