নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে নিহত বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিনের পরিবারকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন তারেক রহমান।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর জামাল উদ্দিনের বড় ছেলের মোবাইল ফোনে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এ সময় তিনি মরহুম জামাল উদ্দিনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ফোনালাপে তারেক রহমান বলেন, আমি তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারি, কারণ একই কষ্টের ভেতর দিয়ে আমিও যাচ্ছি। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের জন্য দোয়া করা। তোমরা সবাই একসঙ্গে থাকবে। ঝড়-বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা যাই আসুক—তিন ভাই একসঙ্গে থাকবে। নিশ্চয়ই তোমাদের আব্বা এটাই দেখতে চেয়েছেন। আল্লাহ যেন উনাকে বেহেশত নসিব করেন।
এর আগে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামাল উদ্দিন ইন্তেকাল করেন। তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে জামাল উদ্দিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন তারেক রহমান। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে পরিবারের খোঁজখবর নেন। ভবিষ্যতে তিনি মরহুম জামাল উদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সরেজমিনে সাক্ষাৎ করবেন বলেও জানিয়েছেন।
জামাল উদ্দিন নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরশাদ মিয়ার ছেলে। ব্যক্তিজীবনে তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৪ ডিসেম্বর ২০২৫) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বাগমারা বাজার এলাকায় নীলাচল পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বিভাজকে উঠে যায়। এ ঘটনায় জামাল উদ্দিনসহ অন্তত ৩২ জন বিএনপি নেতাকর্মী আহত হন।
রিপোর্টা্র্স২৪/বাবি